বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এই সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস।
শনিবার এক বিবৃতিতে জানানো হয়, এই স্থগিতাদেশ শুধুমাত্র অভিবাসী ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। পর্যটক, শিক্ষার্থী বা অন্যান্য নন ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এর আওতার বাইরে থাকবে।
মার্কিন কর্তৃপক্ষ বলছে, যেসব দেশের নাগরিকদের মধ্যে সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীলতার হার বেশি, তাদের ক্ষেত্রেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর কেউ যেন সরকারি সুবিধার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না করে, সেটি নিশ্চিত করাই এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য।
এ বিষয়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে আসা অভিবাসীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়া জরুরি এবং তারা যেন রাষ্ট্রের জন্য বোঝা হয়ে না দাঁড়ায়।
বর্তমানে মার্কিন প্রশাসন ভিসা যাচাই ও স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া আরও কঠোর করার লক্ষ্যে পর্যালোচনা চালাচ্ছে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচিত দেশগুলোর ক্ষেত্রে নতুন করে বিধিনিষেধ আরোপের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশসহ তালিকাভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকরা আপাতত অভিবাসী ভিসার আবেদন করতে পারবে না। তবে শিক্ষার্থী বা ভ্রমণ ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া আগের মতোই চালু থাকবে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিতে এটি একটি বড় পরিবর্তন, যা ভবিষ্যতে আরও কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে।