ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনা কোনো চূড়ান্ত চুক্তি ছাড়াই শেষ হওয়ার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া না আসায় পরিস্থিতি নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে।
আলোচনায় হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণভাবে উঠে এলেও দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতায় পৌঁছানো যায়নি বলে জানা গেছে।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার ইঙ্গিত দিলেও তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ‘চূড়ান্ত প্রস্তাব’ এখনো আলোচনার টেবিলে রয়েছে। তবে ট্রাম্পের অনুমোদন ছাড়া এর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।
ট্রাম্পের নীরবতা নিয়ে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। কয়েকদিন আগেও কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া ট্রাম্প এখন সম্পূর্ণ নীরব থাকায় এটিকে অনেকেই “কৌশলগত নীরবতা” হিসেবে দেখছেন।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই নীরবতা হয়তো নতুন কোনো রাজনৈতিক বা সামরিক সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত হতে পারে। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, এটি পরবর্তী কূটনৈতিক পদক্ষেপের প্রস্তুতিও হতে পারে।
অন্যদিকে আলোচনার পর ১০ দিনের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।
এ অবস্থায় বিশ্ববাসীর নজর এখন হোয়াইট হাউসের পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও ট্রাম্পের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়ার দিকে।