ইসলামে সুদকে অন্যতম বড় হারাম কাজ হিসেবে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে সুদের টাকা কীভাবে খরচ করা যাবে, বিশেষ করে তা গরিব-মিসকিনকে না জানিয়ে দেওয়া যাবে কি না এ বিষয়ে সম্প্রতি একটি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দিয়েছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান Shaykh Ahmadullah।
তিনি বলেন, সুদের টাকা মূল মালিকের কাছে রাখা যাবে না, বরং তা দান করে দিতে হবে। তবে গরিব-মিসকিনকে দেওয়ার সময় যদি তাদের মনে কষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তাহলে সুদের কথা উল্লেখ না করলেও দান করা জায়েজ হবে।
ইসলামী শরিয়তে সুদকে স্পষ্টভাবে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। পবিত্র কুরআনের সূরা আল-বাকারার ২৭৫ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন। এছাড়া ২৭৮ ও ২৭৯ নম্বর আয়াতে সুদ বর্জনের কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং তা অমান্যকারীদের কঠিন সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) সুদের সঙ্গে জড়িত সবাইকে অভিশাপ দিয়েছেন। এর মধ্যে সুদ গ্রহণকারী, প্রদানকারী, লেখক ও সাক্ষী সবাই অন্তর্ভুক্ত। Sahih Muslim-এ (হাদিস: ১৫৯৮) এই বিষয়ে বর্ণনা রয়েছে।
এতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, সুদের লেনদেন শুধু গ্রহণ বা প্রদান নয়, এর সঙ্গে যুক্ত সবাইই ইসলামের দৃষ্টিতে সমানভাবে গুনাহগার।