Porbo24 | Bangladesh News Portal Breaking News, National & International Updates

ঢাকা
...
আপডেট: যাচাই হচ্ছে...
ads
যুদ্ধ পরিস্থিতি লাইভ
LIVE আপডেট
১৭ জুন ক্যাম্পাসে পা রাখছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীরাযুক্তরাষ্ট্রে ভিজিট ভিসায় কী করা যাবে আর কী নয়? নতুন নির্দেশনা জানাল দূতাবাসবিমান থেকে উধাও অস্কার জয়ী রুশ পরিচালকের সোনালি ট্রফিসংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ কাল প্রস্তুতি সম্পন্নআশুলিয়ায় ১৩০০ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তারচৌদ্দগ্রামে দোকান দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গুলির খোসা উদ্ধার১৭ জুন ক্যাম্পাসে পা রাখছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীরাযুক্তরাষ্ট্রে ভিজিট ভিসায় কী করা যাবে আর কী নয়? নতুন নির্দেশনা জানাল দূতাবাসবিমান থেকে উধাও অস্কার জয়ী রুশ পরিচালকের সোনালি ট্রফিসংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ কাল প্রস্তুতি সম্পন্নআশুলিয়ায় ১৩০০ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তারচৌদ্দগ্রামে দোকান দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গুলির খোসা উদ্ধার

রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ায় অস্বস্তি বাড়ছে ক্রেতাদের মধ্যে। অভিযোগ উঠেছে, ৫ থেকে ৬টি বড় কোম্পানির একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট পরিকল্পিতভাবে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে।

মালিবাগ, বাড্ডা, কাওরান বাজার ও নয়াবাজারসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ মুদি দোকানে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট রয়েছে। বিশেষ করে ৫ লিটারের বোতল প্রায় নেই বললেই চলে। এক বা দুই লিটারের কিছু বোতল থাকলেও চাহিদার তুলনায় তা খুবই কম।

বিক্রেতাদের অভিযোগ, রমজানের শুরু থেকেই কোম্পানিগুলো ডিলারদের মাধ্যমে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। যেখানে আগে দিনে ২০ কার্টন তেলের চাহিদা দেওয়া হতো, এখন সেখানে ২ থেকে ৪ কার্টন সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে বাজারে তেলের ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

সরবরাহ কমে যাওয়ার সুযোগে খোলা সয়াবিন তেলের দামও বেড়ে গেছে। নির্ধারিত দামের চেয়ে প্রতি লিটারে প্রায় ৩০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

মালিবাগের এক মুদি ব্যবসায়ী জানান, কোম্পানিগুলো পরিকল্পিতভাবে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। তাদের লক্ষ্য ছিল ঈদের আগেই দাম বাড়ানো, তবে কঠোর তদারকির কারণে তা সম্ভব হয়নি। এখন ঈদের পর আবার দাম বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।

বাড্ডার গুদারাঘাট বাজার ও নয়াবাজারেও একই চিত্র দেখা গেছে। বেশিরভাগ দোকানে তেলের ঘাটতি, আর যেসব দোকানে পাওয়া যাচ্ছে সেগুলোও দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে।

অন্যদিকে, ব্যবসায়ীদের দাবি, পরিবহন সংকটের কারণেও সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। তবে ভোক্তা অধিকার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি মূলত কৃত্রিম সংকট তৈরির কৌশল।

এ বিষয়ে Consumers Association of Bangladesh-এর সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, কিছু কোম্পানি বাজার নিয়ন্ত্রণ করে সরকারকে চাপে ফেলতে চাইছে। যথাযথ তদারকি না থাকায় তারা এই সুযোগ নিচ্ছে।

তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। কৃত্রিম সংকট তৈরি করলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ায় অস্বস্তি বাড়ছে ক্রেতাদের মধ্যে। অভিযোগ উঠেছে, ৫ থেকে ৬টি বড় কোম্পানির একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট পরিকল্পিতভাবে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে।

মালিবাগ, বাড্ডা, কাওরান বাজার ও নয়াবাজারসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ মুদি দোকানে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট রয়েছে। বিশেষ করে ৫ লিটারের বোতল প্রায় নেই বললেই চলে। এক বা দুই লিটারের কিছু বোতল থাকলেও চাহিদার তুলনায় তা খুবই কম।

বিক্রেতাদের অভিযোগ, রমজানের শুরু থেকেই কোম্পানিগুলো ডিলারদের মাধ্যমে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। যেখানে আগে দিনে ২০ কার্টন তেলের চাহিদা দেওয়া হতো, এখন সেখানে ২ থেকে ৪ কার্টন সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে বাজারে তেলের ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

সরবরাহ কমে যাওয়ার সুযোগে খোলা সয়াবিন তেলের দামও বেড়ে গেছে। নির্ধারিত দামের চেয়ে প্রতি লিটারে প্রায় ৩০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

মালিবাগের এক মুদি ব্যবসায়ী জানান, কোম্পানিগুলো পরিকল্পিতভাবে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। তাদের লক্ষ্য ছিল ঈদের আগেই দাম বাড়ানো, তবে কঠোর তদারকির কারণে তা সম্ভব হয়নি। এখন ঈদের পর আবার দাম বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।

বাড্ডার গুদারাঘাট বাজার ও নয়াবাজারেও একই চিত্র দেখা গেছে। বেশিরভাগ দোকানে তেলের ঘাটতি, আর যেসব দোকানে পাওয়া যাচ্ছে সেগুলোও দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে।

অন্যদিকে, ব্যবসায়ীদের দাবি, পরিবহন সংকটের কারণেও সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। তবে ভোক্তা অধিকার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি মূলত কৃত্রিম সংকট তৈরির কৌশল।

এ বিষয়ে Consumers Association of Bangladesh-এর সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, কিছু কোম্পানি বাজার নিয়ন্ত্রণ করে সরকারকে চাপে ফেলতে চাইছে। যথাযথ তদারকি না থাকায় তারা এই সুযোগ নিচ্ছে।

তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। কৃত্রিম সংকট তৈরি করলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

PORBO24

অপেক্ষা করুন...