Porbo24 | Bangladesh News Portal Breaking News, National & International Updates

ঢাকা
...
আপডেট: যাচাই হচ্ছে...
ads
যুদ্ধ পরিস্থিতি লাইভ
LIVE আপডেট
১৭ জুন ক্যাম্পাসে পা রাখছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীরাযুক্তরাষ্ট্রে ভিজিট ভিসায় কী করা যাবে আর কী নয়? নতুন নির্দেশনা জানাল দূতাবাসবিমান থেকে উধাও অস্কার জয়ী রুশ পরিচালকের সোনালি ট্রফিসংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ কাল প্রস্তুতি সম্পন্নআশুলিয়ায় ১৩০০ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তারচৌদ্দগ্রামে দোকান দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গুলির খোসা উদ্ধার১৭ জুন ক্যাম্পাসে পা রাখছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীরাযুক্তরাষ্ট্রে ভিজিট ভিসায় কী করা যাবে আর কী নয়? নতুন নির্দেশনা জানাল দূতাবাসবিমান থেকে উধাও অস্কার জয়ী রুশ পরিচালকের সোনালি ট্রফিসংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ কাল প্রস্তুতি সম্পন্নআশুলিয়ায় ১৩০০ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তারচৌদ্দগ্রামে দোকান দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গুলির খোসা উদ্ধার

দক্ষিণ কোরিয়া একটি অনন্য প্রথা চালু করেছে, যা বিশ্বের অন্য কোনো দেশে দেখা যায় না সেনাবাহিনীতে প্রায় দুই বছরের বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ। দেশের প্রতিটি নাগরিক, ধনী হোক বা সাধারণ, সেলেব্রিটি হোক বা নতুন গ্রাজুয়েট সকলকে নিয়ম মেনে অংশ নিতে হয়।

পুরুষ নাগরিকরা বাধ্য। মেয়েরাও অংশ নিতে পারে, যদিও তাদের জন্য এটি স্বেচ্ছামূলক। এটি কেবল শারীরিক শক্তি বাড়ানোর প্রশিক্ষণ নয়; মানসিক দৃঢ়তা, শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব এবং টিমওয়ার্ক গঠনের একটি যুগান্তকারী ব্যবস্থা।

প্রশিক্ষণ সাধারণত ১৮ থেকে ২৮ বছর বয়সীদের জন্য, এবং সময়কাল প্রায় দুই বছর। মেয়েদের ক্ষেত্রে স্বেচ্ছামূলক প্রশিক্ষণের দৈর্ঘ্য ১২-২৪ মাস পর্যন্ত হতে পারে। যারা বিদেশে থাকে, বিশেষ শারীরিক অসুস্থতা আছে, অথবা বিশেষ কারণে ব্যতীত, তারা অংশগ্রহণ থেকে অব্যাহতি পেতে পারে। তবে অন্য কারো জন্য কোনও ছাড় নেই এতে ধনী-দরিদ্র, সাধারণ নাগরিক থেকে সুপরিচিত সেলেব্রিটি সবাই অন্তর্ভুক্ত।

প্রশিক্ষণটি খুবই কড়া। শারীরিক ফিটনেস, অস্ত্র ব্যবহার, কৌশলগত পরিকল্পনা, এবং সামাজিক ও সামরিক দায়িত্বের ওপর ব্যাপক গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই অভিজ্ঞতা যুবসমাজকে শুধু শক্তিশালী নয়, দায়িত্বশীল নাগরিকও বানায়

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা দক্ষিণ কোরিয়ার নিরাপত্তা, সামাজিক সংহতি এবং জাতীয় শৃঙ্খলার মূল ভিত্তি। কারণ এমন শৃঙ্খলা ও সংযমে দেশীয় নাগরিকরা নিজেদের দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা অনুভব করে, এবং জরুরি সময়ে প্রস্তুত থাকে।

বিশ্বের অন্যান্য দেশে এই ধরনের বাধ্যতামূলক দীর্ঘ প্রশিক্ষণ নেই। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, জাপান সেখানে সামরিক প্রশিক্ষণ থাকে স্বেচ্ছামূলক, বা সীমিত সময়ের, এবং মূলত পুরুষদের জন্য। দক্ষিণ কোরিয়ার মতো পুরুষ-নারী সকল নাগরিকের জন্য দীর্ঘমেয়াদী বাধ্যতামূলক সেনা প্রশিক্ষণ বিশ্বে একক উদাহরণ।

দক্ষিণ কোরিয়ার এই ব্যবস্থা দেশের নাগরিক দায়িত্ব, শৃঙ্খলা এবং মানসিক দৃঢ়তা গঠনের ক্ষেত্রে অনন্য। এটি কেবল সামরিক প্রস্তুতি নয়, বরং একটি সামাজিক ও মানসিক সংস্কৃতি তৈরি করে, যেখানে নাগরিকরা শেখে সংযম, আত্মনির্ভরতা এবং দায়িত্ব পালন।

সেনা বাধ্যবাধকতা তাই দক্ষিণ কোরিয়াকে করেছে বিশ্বের একমাত্র দেশ, যেখানে নাগরিক হওয়া মানেই দুই বছরের শৃঙ্খলাপূর্ণ, শক্তিশালী এবং প্রস্তুতিমূলক অভিজ্ঞতা। এই অভ্যাস দেশের নিরাপত্তা, সামাজিক সংহতি এবং জাতীয় শক্তিকে দৃঢ় রাখে, যা অন্য কোনো দেশের জন্য এখনও কল্পনাতীত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

PORBO24

অপেক্ষা করুন...