রংপুর নগরীর বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে নিত্যপণ্যের দামে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। ডিমের দাম বেড়েছে, তবে মুরগির দামে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। সবজির বাজারেও রয়েছে ওঠানামা, আর চাল-ডালসহ অন্যান্য পণ্যের দাম মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। খুচরা বাজারে প্রতি হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪২ থেকে ৪৪ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৩৮ থেকে ৪০ টাকা। অর্থাৎ অল্প সময়ের ব্যবধানে হালিপ্রতি ৪ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
অন্যদিকে মুরগির বাজারে দামের কিছুটা পতন দেখা গেছে। ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের সপ্তাহে ছিল ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা। সোনালি ও অন্যান্য জাতের মুরগির দামও কিছুটা কমেছে। তবে দেশি মুরগির দাম ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকার মধ্যে স্থিতিশীল রয়েছে।
মাংসের বাজারে তেমন পরিবর্তন নেই। গরুর মাংস কেজিতে ৭২০ থেকে ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১০০০ থেকে ১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সবজির বাজারে দেখা গেছে মিশ্র অবস্থা। কিছু সবজির দাম বেড়েছে, আবার কিছু কমেছে। গাজর ও সজনের দাম বেড়েছে, অন্যদিকে ঝিঙা, পটল, ঢেঁড়শসহ বেশ কিছু সবজির দাম কমেছে। কাঁচা মরিচের দামও কমে এসেছে।
মসলার বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। দেশি ও আমদানি করা আদার দাম কমেছে, তবে রসুনের দাম তুলনামূলক বেশি রয়েছে।
বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে সরবরাহ বাড়া-কমার ওপরই মূলত দামের এই পরিবর্তন নির্ভর করছে। কোনো পণ্যের সরবরাহ কমে গেলে দাম বাড়ে, আর সরবরাহ বাড়লে দাম কমে।
ক্রেতাদের মতে, কিছু পণ্যের দাম কমলেও সার্বিকভাবে বাজার এখনো ব্যয়বহুল। দৈনন্দিন বাজার করতে গিয়ে চাপ অনুভব করছেন তারা।
এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত তদারকি জোরদার করা হয়েছে। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে নজরদারি অব্যাহত থাকবে।