দেড় বছর নিরুদ্দেশ থাকার পর শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ২০ মিনিটের শুনানির পর তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।
শিরীন শারমিনকে হাজতখানায় নেওয়ার সময় আদালতের ভিড়ের মধ্যে সিঁড়িতে পা হেঁটে হালকা অস্বস্তি তৈরি হয়। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাকে ধরে রাখেন এবং তিনি পড়েননি।
আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থক আইনজীবীদের মধ্যে আদালত প্রাঙ্গণে ধাক্কাধাক্কি হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, শিরীন শারমিন ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের সহায়তাকারী’ ছিলেন এবং নিরাপদ তদন্তের জন্য দুই দিনের রিমান্ড প্রয়োজন।
আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দাবি করেন, মামলায় শিরীন শারমিনের নাম ছাড়া আর কোনো সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই। এ মামলা ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় আজিমপুরে গুলিবর্ষণে এক ব্যক্তির স্থায়ী দৃষ্টিশক্তি হারানোর ঘটনায় দায়ের করা হয়েছে।