স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের ইট ব্যবহার, পর্যাপ্ত বিটুমিন না দেওয়া এবং প্রাইম কোট ছাড়াই কাজ করার কারণেই সড়কের অবস্থা দ্রুত খারাপ হয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রায় চার কোটি টাকা ব্যয়ে মুলাদী পৌরসভা-এর ২ নম্বর ওয়ার্ডের তেরচর পাইতিখোলা খেয়াঘাট থেকে সদর ইউনিয়নের কুতুবপুর বাজার পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার ৪০০ মিটার সড়ক সংস্কারের কাজ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটির ঠিকাদার মো. রফিকুল ইসলাম।
কুতুবপুর বাজার এলাকার বাসিন্দা আব্দুল জলিল সিকদার বলেন, কাজের শুরু থেকেই নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা হয়েছে। বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলীকে জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। গত বুধবার (১৫ এপ্রিল) পিচ ঢালাইয়ের পর কম বিটুমিন ব্যবহারের কারণে হাত দিলেই পিচ উঠে যাচ্ছে। এতে দ্রুত সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয়রা কাজ বন্ধ করে দেন।
অন্যদিকে ঠিকাদার মো. রফিকুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নিয়ম মেনেই কাজ করা হচ্ছে। পিচ ঢালাইয়ের পর সঠিকভাবে ‘কিউরিং’ হতে ৮ থেকে ১০ দিন সময় লাগে। তিনি দাবি করেন, একটি মহল ইচ্ছাকৃতভাবে ভিডিও করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
মো. জিয়াউল হক, মুলাদী উপজেলা প্রকৌশলী বলেন, কাজটি মোটামুটি সন্তোষজনকভাবে চলছে, তবে কিছু ব্যক্তি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।