বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দলের দীর্ঘদিনের অধিনায়ক লিটন কুমার দাস। তার নেতৃত্বেই ২০২৮ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে বাংলাদেশ। দল পরিচালনায় টিম ম্যানেজমেন্ট ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) থেকে পূর্ণ সমর্থন ও স্বাধীনতা পাচ্ছেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার।
লিটনের অধিনায়কত্বে এখন পর্যন্ত ২৯টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ, যেখানে জয় এসেছে ১৫টিতে, আর হার ১৩টিতে। জয়-পরাজ্যের পরিসংখ্যান বিবেচনায় তিনি দেশের অন্যতম সফল টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক। এ কারণেই ২০২৮ সালের বিশ্বকাপ পর্যন্ত তাকে দায়িত্বে রেখেছে বিসিবি।
বাংলাদেশ ক্রিকেটে প্রায়ই অভিযোগ ওঠে, অধিনায়করা নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী দল পরিচালনার সুযোগ পান না। তবে এই ক্ষেত্রে ভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন লিটন। তার ভাষায়, তিনি দল গঠনে যথেষ্ট স্বাধীনতা পাচ্ছেন।
চট্টগ্রামে নিউ জিল্যান্ড-এর বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে লিটন বলেন, ‘অধিনায়ক হিসেবে আমি অনেক স্বাধীন। আমি নিজের মতো করেই দল সাজাচ্ছি। নির্বাচক ও কোচদের সঙ্গে সমন্বয় করেই আমরা পরিকল্পনা অনুযায়ী দলকে এগিয়ে নিতে চাই।’
সম্প্রতি তামিম ইকবাল-এর নেতৃত্বাধীন অ্যাডহক কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর লিটনকে ২০২৮ বিশ্বকাপ পর্যন্ত অধিনায়ক ঘোষণা করা হয়। যদিও এই সিদ্ধান্তের আগে বোর্ডের সঙ্গে তার খুব বেশি আলোচনা হয়নি।
নতুন দায়িত্ব পেয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও আশাবাদী লিটন। তিনি বলেন, ‘বোর্ড আমাকে যোগ্য মনে করেছে বলেই দায়িত্ব দিয়েছে। আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। ২০২৬ বিশ্বকাপের মতোই পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে চাই, তবে এবার সময় বেশি থাকায় প্রস্তুতিটাও আরও ভালোভাবে নেওয়া যাবে।’
২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ থাকলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারত সফরে যেতে পারেনি বাংলাদেশ দল। ফলে সেই আসরে অংশ নেওয়ার স্বপ্ন ভেঙে যায় ক্রিকেটারদের। তবে সেই হতাশা কাটিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন অধিনায়ক লিটন।
তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় সবাই এখন এগিয়ে গেছে। বিশ্বকাপের সময় আমরা অন্য একটি টুর্নামেন্ট খেলেছি, যেখানে সবাই ভালো ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করেছে।’