সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য। তবে এই তালিকায় স্থান পাননি দলটির আমিরের স্ত্রী ডা. আমেনা বেগম।
ডা. আমেনা বেগম এর আগে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এবারও তাকে নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছিল, তবে শেষ পর্যন্ত তার নাম তালিকায় আসেনি।
কেন মনোনয়ন পাননি তিনি
বিষয়টি নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি বলেন, দলের নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একই পরিবার থেকে একাধিক সংসদ সদস্য না রাখার নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে।
তার ভাষায়, “এক পরিবার থেকে দুইজন সংসদ সদস্য না রাখার নীতি আমাদের পুরনো সিদ্ধান্ত। এবারও সেই নীতির ভিত্তিতেই মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।”
দলের অবস্থান
জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নারীদের মধ্যে যোগ্য নেতৃত্বের কোনো ঘাটতি নেই। বরং দলে অনেক অভিজ্ঞ ও সক্ষম নারী নেতা রয়েছেন, যারা জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম।
দলটির দাবি, আমিরের স্ত্রী হেভিওয়েট প্রার্থী হলেও নীতিগত সিদ্ধান্তের কারণেই এবার তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।
রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা
মনোনয়ন তালিকা প্রকাশের পর বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। বিশেষ করে সংরক্ষিত আসনে প্রার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।
তবে দলীয় নীতি ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্তকেই প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করছে জামায়াতে ইসলামী।