লেবাননের রাজধানী বৈরুতসহ একাধিক শহরে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়ে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটিয়েছে ইসরাইল। আড়াই শতাধিক মানুষ নিহত হওয়ার পরও হামলা থামেনি; নতুন করে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলেও আক্রমণ চালানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর আল-দুয়াইর যা খিয়ারবেত আল-দুয়ের নামেও পরিচিত সেখানে আবারও তীব্র বিমান হামলা চালায় ইসরাইলি বাহিনী। এতে নতুন করে হতাহতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এর আগে বুধবার রাতে ইসরাইলের ব্যাপক হামলায় লেবাননে অন্তত ২৫৪ জন নিহত এবং আরও ১,১৬৫ জন আহত হন। এই ঘটনায় দেশজুড়ে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে লেবানন সরকার।
লেবাননের সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে এবং এটি চলমান সংঘাতের সবচেয়ে প্রাণঘাতী দিনগুলোর একটি। হামলার প্রভাব পড়েছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে, বিশেষ করে বালবেক, নাবাতিহ, সিডন এবং টায়ার এলাকায়।
লেবাননের প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন, যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টা চলমান থাকা সত্ত্বেও ইসরাইল ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় হামলা চালিয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের পরিপন্থী।
এদিকে লেবানন সরকার জানিয়েছে, ২০২৪ সালের নভেম্বরের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর গত ১৫ মাসে একাধিকবার তা লঙ্ঘিত হয়েছে। তবে এসব লঙ্ঘন ঠেকাতে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।
সরকার আরও বলেছে, ইসরাইলের এই হামলা ‘মানবিক মূল্যবোধের প্রতি স্পষ্ট অবজ্ঞা’ এবং এটি আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা