পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কাছ থেকে স্পষ্ট গ্যারান্টি দাবি করেছে ইরান। দেশটির মতে, ভবিষ্যতে আর কোনো সামরিক হামলা হবে না এমন নির্ভরযোগ্য নিশ্চয়তা ছাড়া এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি Amir Saeid Iravani নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে এই অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন পুরোপুরি বন্ধ না হলে পারস্য উপসাগর ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা আসবে না।
তিনি আরও জানান, শুধু হামলা বন্ধের প্রতিশ্রুতি নয়, ইরানের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থের প্রতি পূর্ণ সম্মান দেখাতে হবে। অন্যথায় গুরুত্বপূর্ণ জলপথ ও জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে।
এদিকে রাশিয়ার Saint Petersburg শহরে অবস্থানরত ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Abbas Araghchi দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর ও অনড় অবস্থানের কারণেই সাম্প্রতিক শান্তি আলোচনা প্রত্যাশিত অগ্রগতি পায়নি।
এই সফরে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট Vladimir Putin ইরানকে সংঘাত নিরসনে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। মস্কো জানিয়েছে, তারা কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে এবং তেহরানের পাশে থাকবে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ইরান যদি আলোচনা এগিয়ে নিতে চায় তবে তাদেরই উদ্যোগ নিতে হবে।
এ সময় মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। লেবানন সীমান্তে যুদ্ধবিরতি থাকলেও নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu হিজবুল্লাহর রকেট ও ড্রোনকে বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে সামরিক পদক্ষেপ বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন।
লেবাননের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাম্প্রতিক বিমান হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। চলমান এই উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে অস্থিরতা ও মানবিক সংকটের আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।