Porbo24 | Bangladesh News Portal Breaking News, National & International Updates

ঢাকা
...
আপডেট: যাচাই হচ্ছে...
ads
যুদ্ধ পরিস্থিতি লাইভ
LIVE আপডেট
১৭ জুন ক্যাম্পাসে পা রাখছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীরাযুক্তরাষ্ট্রে ভিজিট ভিসায় কী করা যাবে আর কী নয়? নতুন নির্দেশনা জানাল দূতাবাসবিমান থেকে উধাও অস্কার জয়ী রুশ পরিচালকের সোনালি ট্রফিসংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ কাল প্রস্তুতি সম্পন্নআশুলিয়ায় ১৩০০ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তারচৌদ্দগ্রামে দোকান দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গুলির খোসা উদ্ধার১৭ জুন ক্যাম্পাসে পা রাখছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীরাযুক্তরাষ্ট্রে ভিজিট ভিসায় কী করা যাবে আর কী নয়? নতুন নির্দেশনা জানাল দূতাবাসবিমান থেকে উধাও অস্কার জয়ী রুশ পরিচালকের সোনালি ট্রফিসংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ কাল প্রস্তুতি সম্পন্নআশুলিয়ায় ১৩০০ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তারচৌদ্দগ্রামে দোকান দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গুলির খোসা উদ্ধার

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে দেশের হাওরাঞ্চলে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিশোরগঞ্জ জেলার হাওর এলাকায় অন্তত ১০ হাজার হেক্টরের বেশি জমির বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জেলার অষ্টগ্রাম, ইটনা ও মিঠামইন উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে শুধু ইটনা উপজেলায় প্রায় তিন হাজার হেক্টর জমির ধান পানির নিচে চলে গেছে।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বেসরকারি হিসাবে ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নিকলী, বাজিতপুর, তাড়াইল ও করিমগঞ্জসহ বিভিন্ন হাওর এলাকায় পাকা ধান পানিতে ডুবে গেছে।

টানা বৃষ্টি ও বজ্রপাতের কারণে কৃষক ও শ্রমিকরা মাঠে নামতে পারছেন না। ফলে ধান কাটার কাজও থমকে গেছে। অনেক এলাকায় দৈনিক দুই হাজার টাকা মজুরি দিয়েও শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না।

এছাড়া পানি জমে যাওয়ায় প্রায় ৬০০টি হারভেস্টার মেশিনও কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। এতে ধান কাটার কাজ আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

কৃষি বিভাগের হিসাবে, এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০ শতাংশ ধান কাটা শেষ হয়েছে। তবে বাকি ধান দ্রুত না কাটতে পারলে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

একদিকে পানি উঠে যাওয়া জমিতে ধান কাটার চেষ্টা চলছে, অন্যদিকে আগে কাটা ধান শুকাতে না পারায় সেগুলো নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে।

হাওরের বিভিন্ন এলাকায় কৃষকেরা ভেলা ও নৌকায় করে ধান শুকনো জায়গায় নিয়ে যাচ্ছেন। কোথাও কোথাও সড়ককেই ধান শুকানোর জায়গা হিসেবে ব্যবহার করতে হচ্ছে।

কৃষকরা জানান, শেষ মুহূর্তে দ্রুত ধান কেটে ঘরে তুলতে না পারলে পুরো বছরের পরিশ্রম পানিতে ভেসে যাবে।

কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পানির কারণে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা হাওরের ফসলি জমিতে প্রভাব ফেলছে। পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আগাম বন্যার ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

PORBO24

অপেক্ষা করুন...