শনিবার সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, দীর্ঘদিন ধরে সরকার জ্বালানিতে ভর্তুকি দিয়ে আসছিল। তবে ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের কারণে সেই চাপ আর বহন করা সম্ভব হয়নি। ফলে পরিস্থিতি বিবেচনায় দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্ত জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে এবং এতে বাজারে ভারসাম্য রক্ষা করা সহজ হবে। একই সঙ্গে জ্বালানি খাতে অপচয় ও পাচার কমাতেও এই পদক্ষেপ সহায়ক হবে বলে তিনি মনে করেন।
পরিবহণ খাত প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শুধু ডিজেলচালিত যানবাহনের ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। গ্যাসচালিত পরিবহণের ক্ষেত্রে কোনো ভাড়া বৃদ্ধি হয়নি। কেউ যদি এর ব্যত্যয় ঘটায়, তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, জ্বালানি তেলের দাম ভবিষ্যতে কমলে পরিবহণ ভাড়াও স্বয়ংক্রিয়ভাবে কমানো হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।
রাজধানীর যানজট ও শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি জানান, প্রধান সড়কগুলোতে অটোরিকশার চলাচল ধাপে ধাপে নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
এর আগে বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে গত ১৮ এপ্রিল দেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এরপরই পরিবহণ ভাড়াও সমন্বয় করা হয়, যা বর্তমানে কার্যকর রয়েছে।