জুলাই আন্দোলন ঘিরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি ও সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ভুয়া মেডিকেল রিপোর্ট জমা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের চেষ্টা ঘিরে এই অভিযোগ করেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর।
বৃহস্পতিবার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন সকালে পিজি হাসপাতাল থেকে ট্রাইব্যুনালকে জানানো হয়, অসুস্থতার কারণে আদালতে হাজির হতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছেন কামরুল ইসলাম। তবে কিছু সময় পর তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
আদালতে অভিযোগপত্র পাঠের পর বিচারক আসামিদের কাছে জানতে চাইলে কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেনন নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। পরে ট্রাইব্যুনাল তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন।
শুনানির সময় চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আসামিকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের উদ্দেশ্যে মিথ্যা চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি জমা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তার পক্ষে বিদেশ ও স্থানীয় বিভিন্ন স্থানের চিকিৎসার কাগজপত্রও উপস্থাপন করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
মেডিকেল রিপোর্টে অসামঞ্জস্য দেখে আদালত অসন্তোষ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের তথ্য যাচাইয়ের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের আবেদন নাকচ করে বর্তমান হাসপাতালে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এদিকে সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর তদন্ত কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে। তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন পক্ষ।