Porbo24 | Bangladesh News Portal Breaking News, National & International Updates

ঢাকা
...
আপডেট: যাচাই হচ্ছে...
ads
যুদ্ধ পরিস্থিতি লাইভ
LIVE আপডেট
১৭ জুন ক্যাম্পাসে পা রাখছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীরাযুক্তরাষ্ট্রে ভিজিট ভিসায় কী করা যাবে আর কী নয়? নতুন নির্দেশনা জানাল দূতাবাসবিমান থেকে উধাও অস্কার জয়ী রুশ পরিচালকের সোনালি ট্রফিসংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ কাল প্রস্তুতি সম্পন্নআশুলিয়ায় ১৩০০ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তারচৌদ্দগ্রামে দোকান দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গুলির খোসা উদ্ধার১৭ জুন ক্যাম্পাসে পা রাখছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীরাযুক্তরাষ্ট্রে ভিজিট ভিসায় কী করা যাবে আর কী নয়? নতুন নির্দেশনা জানাল দূতাবাসবিমান থেকে উধাও অস্কার জয়ী রুশ পরিচালকের সোনালি ট্রফিসংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ কাল প্রস্তুতি সম্পন্নআশুলিয়ায় ১৩০০ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তারচৌদ্দগ্রামে দোকান দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গুলির খোসা উদ্ধার

বেক্সিমকো গ্রুপ সংশ্লিষ্ট ৭ হাজার কোটি টাকার বেশি স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অবরুদ্ধ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে হওয়া মামলার পর আদালতের নির্দেশনায় এসব সম্পদ বর্তমানে দুদকের সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইউনিটের আওতায় রাখা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দুদকের নেতৃত্বাধীন জাতীয় টাস্কফোর্স এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে মোট ২৮টি মামলা করেছে। এর মধ্যে ১১টি করেছে দুদক এবং ১৭টি করেছে সিআইডি। এসব মামলার বিপরীতে আদালতের আদেশে বিভিন্ন সম্পদ ফ্রিজ অবস্থায় রয়েছে।

জব্দ হওয়া সম্পদের মধ্যে রয়েছে ১০৭টি বিও অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় ৬ হাজার ৭৫৫ কোটি টাকার শেয়ার ও বিনিয়োগ, ৯৪টি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শেয়ার, প্রায় ১৯৭০ শতাংশ জমি এবং যুক্তরাজ্যে দুটি ফ্ল্যাট। এসব সম্পদের মোট মূল্য ৭ হাজার কোটি টাকারও বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দুদকের সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইউনিটের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশে জব্দ হওয়া সম্পদ যাতে কোনোভাবেই হস্তান্তর, বিক্রি বা স্থানান্তর করা না যায়, সেটিই তাদের প্রধান কাজ। প্রয়োজনে অনুসন্ধানকারী সংস্থাগুলোকেও তারা সহায়তা দিয়ে থাকে।

দুদকের অনুসন্ধানে বেক্সিমকো গ্রুপের বিরুদ্ধে ঋণ জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ, জাল এলসি, ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে ঋণ গ্রহণ এবং বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ গুরুত্ব পেয়েছে। এসব অভিযোগে সালমান ফজলুর রহমান, তার পরিবারের সদস্য, বেক্সিমকোর বিভিন্ন পরিচালক এবং একাধিক ব্যাংকের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তাদের আসামি করা হয়েছে।

এর মধ্যে জনতা ব্যাংক থেকে প্রায় ১ হাজার ৯৩৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে একাধিক মামলা হয়েছে। একইভাবে আইএফআইসি ব্যাংক থেকে প্রায় ১ হাজার ১৭৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগেও পৃথক মামলা করেছে দুদক। এছাড়া বন্ডের বিপরীতে বিনিয়োগকারীদের প্রায় ৮০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে আরেকটি মামলাও হয়েছে।

দুদক সূত্র বলছে, বেক্সিমকো সংশ্লিষ্ট আরও কয়েকটি মামলা প্রস্তুতির পর্যায়ে রয়েছে। বিদেশে পাচার হওয়া সম্পদ উদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাও চাওয়া হয়েছে। বিশেষ করে লন্ডনে থাকা দুটি ফ্ল্যাটের বিষয়ে আইনি সহায়তা চেয়ে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পাঠানো হয়েছে।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সালমান এফ রহমান ও তার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান জোরদার হয়। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে বিপুল অঙ্কের ঋণ গ্রহণ এবং হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগও সামনে এসেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

PORBO24

অপেক্ষা করুন...