Porbo24 | Bangladesh News Portal Breaking News, National & International Updates

ঢাকা
...
আপডেট: যাচাই হচ্ছে...
ads
যুদ্ধ পরিস্থিতি লাইভ
LIVE আপডেট
১৭ জুন ক্যাম্পাসে পা রাখছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীরাযুক্তরাষ্ট্রে ভিজিট ভিসায় কী করা যাবে আর কী নয়? নতুন নির্দেশনা জানাল দূতাবাসবিমান থেকে উধাও অস্কার জয়ী রুশ পরিচালকের সোনালি ট্রফিসংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ কাল প্রস্তুতি সম্পন্নআশুলিয়ায় ১৩০০ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তারচৌদ্দগ্রামে দোকান দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গুলির খোসা উদ্ধার১৭ জুন ক্যাম্পাসে পা রাখছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীরাযুক্তরাষ্ট্রে ভিজিট ভিসায় কী করা যাবে আর কী নয়? নতুন নির্দেশনা জানাল দূতাবাসবিমান থেকে উধাও অস্কার জয়ী রুশ পরিচালকের সোনালি ট্রফিসংরক্ষিত নারী এমপিদের শপথ কাল প্রস্তুতি সম্পন্নআশুলিয়ায় ১৩০০ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তারচৌদ্দগ্রামে দোকান দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গুলির খোসা উদ্ধার

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশের জ্বালানি খাতে। ইরান সংশ্লিষ্ট যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট আরও তীব্র হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল ও এলএনজির দাম বাড়ায় আমদানি ব্যয় বেড়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জ্বালানি ডিপো ও পাম্পে চাহিদা বেড়ে যাওয়ার ইঙ্গিতও মিলছে।

সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বড় সংকটের কথা না বললেও সাশ্রয়মূলক পদক্ষেপ হিসেবে অফিস ও দোকানপাটের সময়সূচিতে পরিবর্তনসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল ও মে মাসে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে সর্বোচ্চ ১৮ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে। তবে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়া এবং এলএনজি আমদানিতে অনিশ্চয়তার কারণে এই চাহিদা পূরণে বড় চ্যালেঞ্জ দেখা দিচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, গ্যাস সংকটের কারণে অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না। এলএনজি কার্গো কমে গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

বর্তমানে গড়ে প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হলেও তা চাহিদার তুলনায় কম। একই সঙ্গে সার উৎপাদন সচল রাখতে গ্যাসের একটি অংশ শিল্পখাতে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনাও বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রভাব ফেলতে পারে।

উৎপাদন বাড়াতে কয়লা, তেল ও নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিও অব্যাহত রয়েছে। তবে কারিগরি সমস্যার কারণে কিছু উৎস থেকে প্রত্যাশিত সরবরাহ মিলছে না।

সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, চাহিদা প্রায় ১২ হাজার ৯৫০ মেগাওয়াট হলেও উৎপাদন হয়েছে ১২ হাজার ৪১৫ মেগাওয়াট, যা ঘাটতির ইঙ্গিত দেয়।

বিশ্লেষকদের মতে, তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও সেচ মৌসুম শুরুর কারণে আগামী কয়েক মাস বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকাভিত্তিক লোড ম্যানেজমেন্ট বা লোডশেডিং বাড়ানোর পরিকল্পনাও বিবেচনায় রয়েছে।

এদিকে জ্বালানি সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে দোকান ও শপিংমল খোলা রাখার সময়সীমা সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

PORBO24

অপেক্ষা করুন...