চলতি মাসের শেষ পর্যন্ত দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতিতে ভোগান্তি অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে সরকার। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অন্তত আরও পাঁচ দিন লোডশেডিংয়ের চাপ থাকবে।
সচিবালয়ে আয়োজিত এক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, এপ্রিলের ২৮ তারিখ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। তবে মে মাসের শুরু থেকে পরিস্থিতির উন্নতির আশা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় ধরনের বাধা তৈরি হয়েছে গ্যাসের ঘাটতির কারণে। পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ না থাকায় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না। ফলে চাহিদার তুলনায় উল্লেখযোগ্য ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
বর্তমানে চাহিদার তুলনায় প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট কম বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে বলে জানা গেছে। বিকল্প হিসেবে ফার্নেস অয়েল ব্যবহার করা হলেও এতে উৎপাদন ব্যয় অনেক বেশি হওয়ায় তা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়।
কর্তৃপক্ষের মতে, মে মাসের প্রথম সপ্তাহে উৎপাদন বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক করতে সাহায্য করবে। একই সঙ্গে গ্রাম ও শহরের মধ্যে লোডশেডিংয়ের পার্থক্য কমাতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।
সামগ্রিকভাবে, বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে চলতি মাসে ভোগান্তি অব্যাহত থাকলেও আগামী মাসে পরিস্থিতি উন্নতির দিকে যেতে পারে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্টরা।