জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) হস্তক্ষেপে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বোর্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং তামিম ইকবালকে নেতৃত্বে নিয়ে একটি ১১ সদস্যবিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই ঘোষণা শুরুর পর বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল রাতেই নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে এটিকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়েছেন। তিনি নিজেকে এখনও বিসিবির একমাত্র বৈধ সভাপতি দাবি করেছেন এবং বিশ্ব ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।
বুলবুল জানিয়েছেন, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিসিবির অভ্যন্তরীণ নির্বাচনে ক্রীড়া পরিষদের হস্তক্ষেপের আইনি অধিকার নেই। এমন পদক্ষেপ দেশের ক্রিকেটের জন্য অশনিসংকেত, যা অনূর্ধ্ব-১৯ থেকে জাতীয় দলের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আস্থায় প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি নিশ্চিত করেছেন, ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনে কোনো দুর্নীতি বা কারচুপি হয়নি।
তামিম ইকবাল জানিয়েছেন, তিনি বিসিবির আগামী নির্বাচনে অংশ নেবেন। এনএসসি বেঁধে দেওয়া সময় অনুযায়ী নির্বাচন ৬ জুলাইয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের সহ-সভাপতি রাজিব শুক্লা তামিমের নেতৃত্বকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং এটিকে বাংলাদেশের ক্রিকেটের সম্ভাবনা বৃদ্ধির জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখেছেন।
তামিম বলেন, “একটি ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার নির্বাচন হলে সবাইকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাব। সুন্দর একটি পরিবেশ তৈরি করা হবে যাতে সবাই নির্বাচন করতে পারে।”