ক্ষমতার অপব্যবহার করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী ও তোফায়েল আহমেদ সহ তিনজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত এর বিচারক বেগম শামীমা আফরোজ আসামিদের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে চার্জ গঠনের আদেশ দেন। আদালত আগামী ২২ জুন সাক্ষ্যগ্রহণের দিনও নির্ধারণ করেছেন।
মামলার অন্য দুই আসামি হলেন ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং ভোলার মোশারফ হোসেন। আদালতে শুধুমাত্র মোশারফ হোসেন উপস্থিত ছিলেন। বাকি দুই আসামি অনুপস্থিত থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০২ সালে দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক কাজী শামসুল ইসলাম এ মামলা দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, তোফায়েল আহমেদ অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ গোপনের উদ্দেশ্যে সহযোগীদের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল কর্পোরেট শাখা থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট এক কোটি ২৫ লাখ টাকা স্থানান্তর ও উত্তোলন করেন।
দীর্ঘ তদন্ত শেষে তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলার কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আদালত মামলাটি পুনরায় সক্রিয় করে নিম্ন আদালতে পাঠায়। সেই ধারাবাহিকতায় এবার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।
এখনো কোনো মতামত নেই।