সান মারিনোর বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে জয়ের পর এবার বাংলাদেশের নজর দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় ফুটবল আসর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে। আগামী ৪ থেকে ১৭ নভেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে টুর্নামেন্টটি। ২৩ বছর পর শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ দল।
শনিবার ঢাকায় ২০২৬ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের লোগো উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রধান কোচ থমাস ঢুলি। সেখানে তিনি বলেন, দলের মূল লক্ষ্য একটাই—শিরোপা জয়। একই সঙ্গে দেশের ফুটবলপ্রেমীদের গ্যালারিতে থেকে জোরালো সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ঢুলির মতে, মাঠে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি দর্শকদের উৎসাহও বড় ভূমিকা রাখবে। তিনি চান, গ্যালারির সমর্থনে প্রতিপক্ষের ওপর চাপ তৈরি হোক, যাতে সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ জয় তুলে নিতে পারে।
২০০২ সালে সর্বশেষ ঢাকার মাটিতে সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর কেটে গেছে ২৩ বছর। সেই দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও ট্রফি জিততে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ কোচ ও ফুটবলাররা।
থমাস ঢুলি বলেন, প্রতিপক্ষের নাম নয়, গুরুত্বপূর্ণ হলো জয়ের মানসিকতা। তার ভাষায়, সাফে আর্জেন্টিনা বা ব্রাজিল নেই। এখানে প্রতিটি ম্যাচেই আত্মবিশ্বাস ও সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামতে হবে।
তিনি আরও জানান, গত দেড় মাস ধরে সম্ভাব্য প্রতিপক্ষদের শক্তি, দুর্বলতা, র্যাঙ্কিং ও খেলার ধরন নিয়ে বিশ্লেষণ করছেন। বিশেষ করে কেন বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে কিছু দলের বিপক্ষে কাঙ্ক্ষিত ফল পাচ্ছে না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ দলের অন্যতম ফুটবলার শেখ মোরসালিন বলেন, কোচের লক্ষ্য ও ভাবনা খেলোয়াড়দের মধ্যেও রয়েছে। সবাই দেশের মাটিতে সাফ শিরোপা জয়ের জন্য মুখিয়ে আছেন।
অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তপু বর্মনও মনে করেন, ঘরের মাঠে খেলা বাংলাদেশের জন্য বাড়তি সুবিধা হলেও অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসে ভোগার সুযোগ নেই। কঠোর অনুশীলন, ভিডিও বিশ্লেষণ ও পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে পারলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া সম্ভব বলে বিশ্বাস তার।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।