সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় সেশনে ব্যাটিং বিপর্যয়ে আবারও চাপে পড়েছে বাংলাদেশ। লাঞ্চের পর মাত্র ১৩.৩ ওভারে ১৫ রান যোগ করতেই ৩ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। ৩ উইকেটে ১০১ রান থেকে বাংলাদেশের স্কোর নেমে যায় ৬ উইকেটে ১১৬ রানে।
দ্বিতীয় সেশনের শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বাংলাদেশকে চাপে রাখে পাকিস্তান। মোহাম্মদ আব্বাস ও সাজিদ খান টানা মেইডেন ওভারে রান আটকে দেন শান্ত ও মুশফিককে। চাপ তৈরি হওয়ার পরই আসে উইকেটের পতন।
ব্যাটিং ধসের শুরু হয় অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর বিদায়ে। লাঞ্চে ২৬ রানে অপরাজিত থাকা শান্ত দ্বিতীয় সেশনে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৭৩ বল খেলে ৩টি চারে ২৯ রান করে ফেরেন তিনি।
এরপর দ্রুত ফিরে যান অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। খুররম শাহজাদের ভেতরে ঢোকা ডেলিভারিতে প্যাডে আঘাত লাগে তার। রিভিউ নিলেও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়নি। ৬৪ বলে ২৩ রান করে বিদায় নেন তিনি।
মুশফিকের পরপরই ফেরেন মেহেদী হাসান মিরাজ। খুররমের শর্ট বল হুক করতে গিয়ে ভুল টাইমিংয়ে ডিপ ফাইন লেগে হাসান আলীর দারুণ ক্যাচে আউট হন তিনি। ৬ বলে ৪ রান করেন মিরাজ।
এই ধসের মাঝেও ক্রিজে আছেন লিটন দাস। তার সঙ্গে যোগ দিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। তবে ম্যাচে এখন কঠিন অবস্থায় বাংলাদেশ।
এর আগে ইনিংসের শুরু থেকেই চাপে ছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় বলেই আউট হন মাহমুদুল হাসান জয়। এরপর তানজিদ হাসান ২৬ এবং মুমিনুল হক ২২ রান করে ফেরেন। লাঞ্চ পর্যন্ত শান্ত-মুশফিক জুটি কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও দ্বিতীয় সেশনে সেই স্থিতি ভেঙে পড়ে।
মিরপুরে প্রথম টেস্ট জিতে সিরিজে ১–০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। সিলেটে সিরিজ সমতায় আনতে হলে বড় ইনিংস প্রয়োজন ছিল টাইগারদের, কিন্তু দ্বিতীয় সেশনের ব্যাটিং ধসে সেই লক্ষ্য এখন কঠিন হয়ে পড়েছে।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।