Porbo24 | Bangladesh News Portal Breaking News, National & International Updates

ঢাকা
...
আপডেট: যাচাই হচ্ছে...
ads
যুদ্ধ পরিস্থিতি লাইভ
LIVE আপডেট
কুমিল্লায় আলোচনায় ৯ মণ ওজনের ‘কালাবাহাদুর’খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধনে ময়মনসিংহে প্রধানমন্ত্রীসন্ধ্যার মধ্যে দুই জেলায় ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতায় উদ্বেগ, কড়া বার্তা ইউনিসেফেরকোরবানির গরু কাটতে বিমানে ঢাকায় আসছেন সৈয়দপুরের কসাইরাকুমিল্লায় আলোচনায় ৯ মণ ওজনের ‘কালাবাহাদুর’খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধনে ময়মনসিংহে প্রধানমন্ত্রীসন্ধ্যার মধ্যে দুই জেলায় ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতায় উদ্বেগ, কড়া বার্তা ইউনিসেফেরকোরবানির গরু কাটতে বিমানে ঢাকায় আসছেন সৈয়দপুরের কসাইরা

বিস্তারিত

MD Ekram

Dhaka, Bangladesh

প্রকাশিত : 2 June, 2026,
11:45 am

লিংক কপি করা হয়েছে!

সুনামগঞ্জে বাড়ছে হামের প্রকোপ, হাসপাতালে নেই প্রয়োজনীয় ওষুধ

সুনামগঞ্জে বাড়ছে হামের প্রকোপ, হাসপাতালে নেই প্রয়োজনীয় ওষুধ

সংগৃহীত ছবি

সুনামগঞ্জে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হামে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। গত দুই মাসে জেলায় ১ হাজার ৪০০ এর বেশি শিশু এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে। রোগীর চাপ বাড়ার পাশাপাশি দেখা দিয়েছে ওষুধ সংকটও। ফলে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের প্রয়োজনীয় বেশিরভাগ ওষুধ বাইরে থেকে কিনে আনতে হচ্ছে বলে অভিযোগ স্বজনদের।

সিভিল সার্জন কার্যালয় ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মার্চের শেষ দিকে জেলায় হামের সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। এপ্রিল ও মে মাসে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে ২৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া হামে আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।

বর্তমানে ২৫০ শয্যার সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রায় ১০০ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। তবে শিশু ওয়ার্ডে শয্যা সংকট থাকায় অনেক রোগীকেই মেঝে ও করিডোরে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হাসপাতালে ভর্তি শিশুদের স্বজনরা জানান, চিকিৎসক ও নার্সদের সেবা পেলেও ওষুধের অভাবে অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে স্যালাইন, ক্যানুলাসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রীও বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে।

হামের ওয়ার্ডে ভর্তি এক শিশুর অভিভাবক বলেন, কয়েকদিন ধরে হাসপাতালে থাকলেও প্রয়োজনীয় কোনো ওষুধ পাননি। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী সবকিছু ফার্মেসি থেকে কিনে আনতে হচ্ছে।

একই ধরনের অভিযোগ করেছেন আরও কয়েকজন স্বজন। তাদের ভাষ্য, গরিব পরিবারের জন্য দীর্ঘদিন হাসপাতালে থেকে ওষুধ কেনা বড় ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি করছে।

সদর হাসপাতালের হাম ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্স তাহমিনা খাতুন জানান, ঈদের পর থেকে রোগীর সংখ্যা আবার বাড়তে শুরু করেছে। শয্যার তুলনায় রোগী বেশি হওয়ায় অনেককে বিকল্প ব্যবস্থায় চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।

শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ সহযোগী অধ্যাপক ডা. আশুতোষ সিংহ বলেন, জেলার দুর্গম এলাকায় টিকাদানের হার তুলনামূলক কম। পাশাপাশি অপুষ্টিতে ভোগা শিশুর সংখ্যাও বেশি। এসব কারণে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। তিনি নিয়মিত টিকা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অন্যদিকে, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাহবুবুর রহমান ওষুধ সংকটের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। নতুন অর্থবছরে বরাদ্দ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ওষুধ সংগ্রহ করা হবে।

তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, রোগীর চাপ বাড়লেও চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রয়েছে এবং বর্তমানে নতুন করে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

পাঠকদের মতামত 0 টি মন্তব্য

এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।

আপনার মূল্যবান মতামত লিখুন

সর্বশেষ খবর

লোড হচ্ছে...
PORBO24

অপেক্ষা করুন...