২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শুরুটা প্রত্যাশামতো হয়নি স্পেনের। গ্রুপ এইচের প্রথম ম্যাচে তুলনামূলক দুর্বল কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে মাঠ ছাড়তে হয়েছে ইউরোপের শক্তিশালী দলটিকে। তবে ম্যাচের ফলের চেয়েও বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে স্পেনের ফরোয়ার্ড মিকেল ওইয়ারসাবালের একটি বিরল পরিসংখ্যান।
ইউরো ২০২৪ ফাইনালে জয়সূচক গোল করে স্পেনকে শিরোপা এনে দেওয়া এই তারকা বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ছিলেন প্রায় নিষ্প্রভ। ম্যাচের প্রথম ৩০ মিনিটে একবারও বলের স্পর্শ পাননি তিনি, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে নতুন এক নেতিবাচক রেকর্ড হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।
পরিসংখ্যানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান অপ্টার তথ্য অনুযায়ী, ১৯৬৬ সাল থেকে বিশ্বকাপের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম কোনো আউটফিল্ড খেলোয়াড় ম্যাচের প্রথম আধাঘণ্টায় একবারও বল স্পর্শ না করার ঘটনা ঘটালেন।
শুধু ওইয়ারসাবাল নন, পুরো স্পেন দলই প্রথমার্ধে নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দ খুঁজে পায়নি। আক্রমণে ধার ছিল না, মাঝমাঠেও দেখা গেছে সমন্বয়ের ঘাটতি। ফলে কেপ ভার্দের রক্ষণভাগ খুব একটা চাপে পড়েনি।
অন্যদিকে বিশ্বকাপের নবাগত কেপ ভার্দে দারুণ শৃঙ্খলাবদ্ধ ফুটবল খেলেছে। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে রক্ষণ সামলে পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করেছে তারা। শেষ পর্যন্ত স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়ে মূল্যবান এক পয়েন্ট তুলে নেয় আফ্রিকার দেশটি।
ম্যাচে তরুণ তারকা লামিন ইয়ামালকে শুরু থেকে না খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, তার সৃজনশীলতার অভাব স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়েছে স্প্যানিশ আক্রমণে।
বিশ্বকাপের পথ এখনও অনেক বাকি। তবে প্রথম ম্যাচের এই ফল এবং ওইয়ারসাবালের রেকর্ড স্পেনের জন্য স্পষ্ট সতর্কবার্তা হয়ে এসেছে। পরের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে না পারলে চাপ আরও বাড়বে ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ওপর।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।