Porbo24 | Bangladesh News Portal Breaking News, National & International Updates

ঢাকা
...
আপডেট: যাচাই হচ্ছে...
ads
যুদ্ধ পরিস্থিতি লাইভ
LIVE আপডেট
কুমিল্লায় আলোচনায় ৯ মণ ওজনের ‘কালাবাহাদুর’খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধনে ময়মনসিংহে প্রধানমন্ত্রীসন্ধ্যার মধ্যে দুই জেলায় ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতায় উদ্বেগ, কড়া বার্তা ইউনিসেফেরকোরবানির গরু কাটতে বিমানে ঢাকায় আসছেন সৈয়দপুরের কসাইরাকুমিল্লায় আলোচনায় ৯ মণ ওজনের ‘কালাবাহাদুর’খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধনে ময়মনসিংহে প্রধানমন্ত্রীসন্ধ্যার মধ্যে দুই জেলায় ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতায় উদ্বেগ, কড়া বার্তা ইউনিসেফেরকোরবানির গরু কাটতে বিমানে ঢাকায় আসছেন সৈয়দপুরের কসাইরা

বিস্তারিত

MD Ekram

Dhaka, Bangladesh

প্রকাশিত : 14 June, 2026,
2:00 pm

লিংক কপি করা হয়েছে!

কাগজে ৫৯ শ্রমিক, বাস্তবে ভেকু দিয়ে খাল খনন নিয়ে উঠল বড় প্রশ্ন

কাগজে ৫৯ শ্রমিক, বাস্তবে ভেকু দিয়ে খাল খনন নিয়ে উঠল বড় প্রশ্ন

সংগৃহীত ছবি

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় খাল খনন ও সংস্কার প্রকল্পে অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নীতিমালায় তালিকাভুক্ত শ্রমিক দিয়ে কাজ সম্পন্ন করার কথা থাকলেও বাস্তবে এস্কেভেটর (ভেকু) মেশিন দিয়ে দ্রুত গতিতে খননকাজ চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পে কাগজে ৫৯ জন শ্রমিক দেখানো হলেও মাঠে কার্যত শ্রমিক উপস্থিতি নেই বললেই চলে। এর পরিবর্তে ভেকু মেশিন ব্যবহার করেই কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে সারা দেশে খাল খনন ও সংস্কারের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সেই প্রকল্পের অংশ হিসেবে গাইবান্ধার সাঘাটায় দুটি খাল সংস্কারের কাজ চলছে।

এর মধ্যে পদুমশহর ইউনিয়নের দাতিয়া খাল এবং কামালেরপাড়া ইউনিয়নের কৈচড়া খাল রয়েছে। দুই প্রকল্পের ব্যয় যথাক্রমে প্রায় ২৫ লাখ ও ২৩ লাখ টাকার বেশি।

মাঠে শ্রমিকের বদলে ভেকু

সরেজমিনে দাতিয়া খাল এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সেখানে দুটি এস্কেভেটর দিয়ে খননকাজ চলছে। স্থানীয় সূত্র বলছে, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৫৯ জন শ্রমিক থাকার কথা থাকলেও মাঠে মাত্র কয়েকজন শ্রমিক দেখা গেছে।

মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে ভেকু ব্যবহার করে খালের বড় অংশ খনন সম্পন্ন হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

ভেকু চালক নজরুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন চুক্তিভিত্তিক ১০ থেকে ১২ হাজার টাকায় কাজ চলছে এবং এই অর্থ পরিশোধ করছেন জাহিদ নামের একজন ব্যক্তি। তাঁর দাবি, কয়েকদিনে প্রায় ৩০০ মিটার খনন কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

তদারকিতে নাইট গার্ডের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

স্থানীয়দের অভিযোগ, পুরো প্রকল্পের অর্থ লেনদেন ও তদারকির সঙ্গে যুক্ত আছেন বিআরডিবির একজন নাইট গার্ড, যিনি প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।

তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দাবি করেছেন, তিনি শুধু নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেন এবং অর্থ ব্যবস্থাপনার বিষয়ে তার কোনো ভূমিকা নেই।

শ্রমিকদের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, প্রকল্পে খুব অল্পসংখ্যক শ্রমিক কাজ করছেন এবং বাকি কাজ ভেকু দিয়েই সম্পন্ন করা হচ্ছে।

কমিটির সদস্যদের বক্তব্যে ভিন্নতা

প্রকল্প কমিটির এক সদস্য দাবি করেন, তাদের না জানিয়েই খনন কাজ শুরু হয়েছে, যা নিয়ে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন। অন্যদিকে ইউনিয়ন পরিষদের একজন সদস্য জানান, শ্রমিক তালিকা এখনো সম্পূর্ণ হয়নি, তাই সাময়িকভাবে ভেকু ব্যবহার করা হচ্ছে।

তবে প্রকল্পের সভাপতির দাবি, শ্রমিক তালিকা প্রায় প্রস্তুত এবং খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু হবে।

প্রশাসনের অবস্থান

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিকভাবে খালের তলদেশ সমান করতে ভেকু ব্যবহার করা হচ্ছে এবং পরে শ্রমিক দিয়ে কাজ সম্পন্ন করা হবে।

অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এবং অনিয়মের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, শ্রমিকভিত্তিক প্রকল্পে মেশিন ব্যবহারের এই ধারা কতটা নিয়ম অনুযায়ী হচ্ছে এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীরা আদৌ কাজ পাচ্ছেন কি না।

পাঠকদের মতামত 0 টি মন্তব্য

এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।

আপনার মূল্যবান মতামত লিখুন

সর্বশেষ খবর

লোড হচ্ছে...
PORBO24

অপেক্ষা করুন...