Rajbari Districtর কালুখালী উপজেলায় দপ্তরির চাকরি না পেয়ে স্কুল মাঠে পাটচাষ করার অভিযোগ উঠেছে সজিব খাঁন ও তার বাবা কালাম খাঁনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে Murarikhola Government Primary School-এ।
স্কুল মাঠে পাট চাষ করায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নানা সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ১৪২ জন শিক্ষার্থী এই স্কুলে পড়াশোনা করে। মাঠে পাটক্ষেত থাকায় তারা স্বাভাবিকভাবে খেলাধুলা করতে পারছে না।
তারা দ্রুত মাঠ থেকে পাট অপসারণের দাবি জানিয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে সজিব খাঁন ও তার বাবা কালাম খাঁন বলেন, ২০২৪ সালের শুরুতে স্কুল কর্তৃপক্ষ দপ্তরির চাকরির আশ্বাস দিয়ে তাদের কাছ থেকে জমি নেয় এবং সেখানে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করে। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও চাকরি দেওয়া হয়নি।
সজিব খাঁনের ভাষ্য, চাকরি না পাওয়ায় বাধ্য হয়েই তারা নিজেদের জমিতে পাটের আবাদ করেছেন। তিনি বলেন, “আমাকে চাকরি দিতে হবে, না হলে জমির মূল্য পরিশোধ করতে হবে। অন্যথায় বাউন্ডারি ওয়াল সরিয়ে দিতে হবে যাতে আমরা জমিতে স্বাভাবিকভাবে চাষ করতে পারি।”
অন্যদিকে স্কুলের প্রধান শিক্ষক নূরুন্নাহার খানম জানান, সাবেক সংসদ সদস্য Zillul Hakim-এর উদ্যোগে জমিটি স্কুলের বাউন্ডারি ওয়ালের জন্য নেওয়া হয়েছিল। শর্ত ছিল, পরে চাকরি দেওয়ার পর জমি রেজিস্ট্রি করা হবে। তবে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের কারণে সেটি আর বাস্তবায়ন হয়নি।
এ বিষয়ে কালুখালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, স্কুল মাঠে পাট বড় হয়ে যাওয়ায় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। বিষয়টির সমাধানে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।