বক্স অফিসে দাপট দেখিয়ে ১৪০ মিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছুঁয়েছে সায়েন্স ফিকশন সিনেমা ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’। নতুন গল্পের সিনেমা হয়েও এটি বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মন জয় করে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছেছে।
অ্যান্ডি উইয়ারের জনপ্রিয় উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমার গল্প মহাকাশকে ঘিরে। এর আগে তার লেখা বই থেকে তৈরি ‘দ্য মার্শিয়ান’ও ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছিল।
ছবিটি পরিচালনা করেছেন ফিল লর্ড ও ক্রিস্টোফার মিলার। তাদের নির্মাণশৈলীতে ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’ হয়ে উঠেছে ভিজ্যুয়ালি দৃষ্টিনন্দন ও আবেগঘন এক মহাকাশ অভিযানের গল্প।
এই সিনেমা অ্যামাজন এমজিএম স্টুডিওজের জন্যও বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে ৮ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারে এমজিএম অধিগ্রহণের পর এটি তাদের অন্যতম বড় বাণিজ্যিক হিট।
সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া মিশ্র হলেও দর্শকদের আগ্রহে কোনো ঘাটতি নেই। কেউ এটিকে “চিন্তা প্রসারিত করা সায়েন্স ফিকশন” বলছেন, আবার কেউ গল্পে পরিচিত ছকের ছাপ দেখছেন। তবে একটি বিষয়ে প্রায় সবাই একমত-রায়ান গসলিংয়ের অভিনয়ই ছবির সবচেয়ে বড় শক্তি।
গসলিং নিজেও জানিয়েছেন, বৈজ্ঞানিক কাহিনির সঙ্গে হাস্যরসের মিশ্রণই তাকে এই সিনেমায় কাজ করতে আকৃষ্ট করেছে। তার মতে, কঠিন বিজ্ঞানভিত্তিক গল্পকে সহজভাবে তুলে ধরতে এই উপাদান গুরুত্বপূর্ণ।
করোনা-পরবর্তী সময়ে যেখানে সিকুয়েল নির্ভর সিনেমার আধিপত্য, সেখানে একেবারে নতুন গল্প নিয়ে ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’ যে সাফল্য পেয়েছে, তা হলিউডের জন্য নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এখনো কোনো মতামত নেই।