সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন পে স্কেল নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা কাটেনি। তবে সব জল্পনা-কল্পনার মধ্যেও সরকারি চাকরিজীবীদের দৃষ্টি এখন আগামী ১১ জুন ঘোষিত জাতীয় বাজেটের দিকে।
২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার নতুন পে স্কেলের সুপারিশ করলেও তা বাস্তবায়নে এখনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।
এর মধ্যে পে স্কেলের জন্য বরাদ্দকৃত ৪০ হাজার কোটি টাকা অন্য খাতে ব্যয়ের খবরে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগামী ১১ জুন বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেট পেশ করা হবে। প্রায় ৯ লাখ কোটি টাকার এই বাজেটে দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
তবে এই বাজেটে নতুন পে স্কেল অন্তর্ভুক্ত হবে কি না, তা নিয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত নেই।
অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পে স্কেলের জন্য বরাদ্দের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড ও জ্বালানি ভর্তুকিতে ব্যয় করা হয়েছে। পাশাপাশি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ ও মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির কারণে সরকারের আর্থিক চাপও বেড়েছে।
এ কারণে নতুন পে স্কেল একবারে বাস্তবায়নের পরিবর্তে ধাপে ধাপে কার্যকর করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন না হওয়ায় সচিবালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে চাপা অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত সিদ্ধান্ত না এলে প্রশাসনে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এখনো কোনো মতামত নেই।