Executive Committee of the National Economic Council বৈঠকে পদ্মা ব্যারেজসহ মোট ১৬টি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রকল্প হিসেবে অনুমোদন পেয়েছে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার পদ্মা ব্যারেজ।
বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman।
বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে পানিসম্পদমন্ত্রী Shahid Uddin Chowdhury Annie জানান, সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প। প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছর মেয়াদি এ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ২৪টি জেলার প্রায় সাত কোটি মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে বলে আশা করছে সরকার।
মন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়নের ফলে কৃষি উৎপাদন বাড়বে, নদী ও খালগুলোতে শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ বজায় থাকবে এবং দক্ষিণাঞ্চলে লবণাক্ততার প্রভাব কমানো সম্ভব হবে।
তিনি আরও জানান, এটি সরকারের অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্প এবং নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ ছিল। আগামী বাজেটের পর প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ২০৩৩ সালের মধ্যে এর কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
ভারতের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ প্রকল্প। তবে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি নবায়ন নিয়ে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কমিশন কাজ করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে পদ্মা অববাহিকায় পানিপ্রবাহ কমে যাওয়া, নদীভাঙন ও পরিবেশগত সংকট মোকাবিলায় পদ্মা ব্যারেজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
১৯৭৫ সালে Farakka Barrage Construction চালুর পর থেকে পদ্মা ও এর শাখা নদীগুলোর পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে কয়েক দশক ধরেই ব্যারেজ নির্মাণের দাবি উঠে আসছিল।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।