নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি যাত্রীবাহী বিমানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে দ্রুত উদ্ধার তৎপরতায় বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) সকালে এই ঘটনা ঘটে। অবতরণের সময় বিমানের চাকায় হঠাৎ আগুন ধরে গেলে যাত্রী ও ক্রুদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ফ্লাইটটিতে থাকা ২৭৮ জন যাত্রী ও ১১ জন ক্রু সদস্যসহ মোট ২৮৯ জন আরোহীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয় বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাসহ একাধিক গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে।
টার্কিশ এয়ারলাইন্সের ‘TK 726’ ফ্লাইটটি তুরস্কের ইস্তাম্বুল থেকে যাত্রা করে ভোররাতে কাঠমান্ডুতে পৌঁছায়। রানওয়েতে অবতরণের মুহূর্তেই বিমানের চাকা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
ঘটনা টের পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিমানবন্দরের দমকল বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এএনআই জানায়, কী কারণে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে তা এখনো নিশ্চিত নয়। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে বিশ্বের ঝুঁকিপূর্ণ বিমানবন্দরগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটি একটি টেবল-টপ বিমানবন্দর, যেখানে রানওয়ের এক বা একাধিক পাশে খাড়া ঢাল রয়েছে।
এর আগে বিভিন্ন সময় এই বিমানবন্দরে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে গত বছরের একটি বিমান বিধ্বস্তের ঘটনাও রয়েছে।
আজকের ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
নেপাল বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত কারণ বলা সম্ভব নয়। প্রাথমিকভাবে যান্ত্রিক ত্রুটিকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।