সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীর বিজয়নগরে বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটির আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে প্রতিটি বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালে মানসম্মত লেবার রুম থাকা অত্যন্ত জরুরি। এ বিষয়ে কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতি গ্রহণ করা হবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী জানান, গত দুই মাস ধরে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। পরিচ্ছন্নতা অভিযানের পাশাপাশি মশার লার্ভা ধ্বংসে প্রয়োজনীয় ট্যাবলেট আগামী সাত দিনের মধ্যে মাঠপর্যায়ে সরবরাহ করা হবে।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় সরকারি হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত শয্যার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি মোবাইল স্বাস্থ্যসেবাও চালু রয়েছে। কিছুদিন স্যালাইনের সংকট থাকলেও বর্তমানে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত হয়েছে।
চিকিৎসকদের উদ্দেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়ে বলেন, রোগীর জ্বর কমে গেলেই ছাড়পত্র দেওয়া যাবে না। প্লাজমা লিকেজসহ অন্যান্য জটিলতার ঝুঁকি পুরোপুরি কেটে গেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পরই হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দিতে হবে।
তিনি দাবি করেন, গত বছরের তুলনায় বর্তমানে দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। একই সঙ্গে হাম প্রতিরোধে সরকারের টিকাদান কর্মসূচিও সফলভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
স্বাস্থ্য খাতের জনবল সংকট দূর করতে বড় নিয়োগ পরিকল্পনার কথাও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে এক লাখ নতুন জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রায় ৮০ হাজার নারী নিয়োগ পাবেন এবং তাদের অধিকাংশই মিডওয়াইফারি সেবায় যুক্ত হবেন।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।