কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। তবে এই হামলায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি এবং কোনো হতাহতের ঘটনাও ঘটেনি বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা।
কুয়েতের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে একাধিক ড্রোন হামলা চালানো হয়। যদিও দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
এর আগে বুধবারও একটি ইরানি ড্রোন বিমানবন্দরের একটি জ্বালানি ডিপোকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় বলে জানা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে ইয়েমেনভিত্তিক হুতি বিদ্রোহীদের সম্পৃক্ততা পরিস্থিতিকে নতুন মাত্রা দিচ্ছে।
হুতিরা দীর্ঘদিন ধরেই ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে লোহিত সাগর ও আশপাশের অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজ ও সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানছে। তাদের এসব হামলার ফলে আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।
এদিকে ইসরায়েলি বাহিনী জানিয়েছে, লেবাননেও তাদের সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আকাশ ও সমুদ্রপথে হামলা চালানো হয়েছে।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই বহুমুখী সংঘাত ধীরে ধীরে বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে, যা বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও বাণিজ্যের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।
সূত্র: বিবিসি
এখনো কোনো মতামত নেই।