ঢাকার সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক পাঁচটি পৃথক মামলায় হাইকোর্টে পাওয়া জামিন বহাল রেখেছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগ।
মঙ্গলবার সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ রাষ্ট্রপক্ষের করা জামিন স্থগিতের আবেদন খারিজ করে এ আদেশ দেন।
এর ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত রায় জালিয়াতি, যুবদলকর্মী হত্যা এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের করা একাধিক মামলায় তার জামিন কার্যকরই থাকছে।
এর আগে চলতি বছরের ৮ মার্চ হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ চারটি মামলায় রুলসহ তাকে জামিন দেন। পরে ১১ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আরেক মামলাতেও তিনি জামিন পান। পরে এসব জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী হত্যা মামলায়ও গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর তার বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা হয়।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে রায় জালিয়াতির অভিযোগে ২৭ আগস্ট শাহবাগ থানায় একটি মামলা করেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী। একই অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা ও বন্দর থানায় আরও দুটি মামলা দায়ের করা হয়। পাশাপাশি প্লট জালিয়াতির অভিযোগে দুদক পৃথক মামলা করে।
নিম্ন আদালতে জামিন না পেয়ে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করলে আদালত রুলসহ জামিন মঞ্জুর করেন, যা এখন আপিল বিভাগেও বহাল থাকল।
খায়রুল হক ২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং ২০১১ সালের মে মাসে অবসরে যান। পরবর্তীতে তিনি আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।