ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এর মৃত্যুসংবাদ পাঠ করতে গিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক উপস্থাপক আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। সরাসরি সম্প্রচারের সময় বিবৃতি পড়ার এক পর্যায়ে তার কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে আসে এবং চোখ মুছতে দেখা যায় তাকে।
স্থানীয় সময় রোববার ভোরে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে খামেনির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে। এর আগের দিন দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়।
খামেনির মৃত্যু ঘিরে ইরানে গভীর শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সরকার ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে বলে দেশটির গণমাধ্যম জানিয়েছে। এ সময় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা এবং রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান সীমিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমগুলোতে খামেনির রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতৃত্ব নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করা হচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘ সময় ধরে দেশের সর্বোচ্চ নেতৃত্বে থাকা এ ব্যক্তিত্বের মৃত্যু ইরানের রাজনীতি ও আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে খামেনির মৃত্যুর দাবি করেন। তার ওই বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করে।
বর্তমানে পরিস্থিতি ঘিরে আন্তর্জাতিক মহল নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
এখনো কোনো মতামত নেই।