বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে ৬-৪ গোলের নাটকীয় হারে একাধিক নেতিবাচক রেকর্ডের সাক্ষী হয়েছে ফ্রান্স। বিশেষ করে ম্যাচের প্রথমার্ধের পারফরম্যান্স দলটির বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে হতাশাজনক অধ্যায়গুলোর একটি হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।
সেমিফাইনালে হারের পর সান্ত্বনার লড়াইয়ে নামা দুই দলের ম্যাচে শুরু থেকেই ছন্দ হারিয়ে ফেলে ফ্রান্স। ম্যাচের ৩ মিনিট ও ১৬ মিনিটে টানা দুই গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ে দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা।
ফরাসি পরিসংখ্যানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান স্ট্যাটসডুফুট-এর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো ম্যাচের প্রথম ২০ মিনিটের মধ্যেই দুই গোল হজম করল ফ্রান্স।
শুধু তাই নয়, বিরতির আগে ইংল্যান্ড আরও দুইবার ফ্রান্সের জালে বল পাঠালে প্রথমার্ধ শেষ হয় ৪-০ ব্যবধানে। বড় কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে প্রথমার্ধেই চার গোল হজম করার এমন ঘটনা ফরাসি ফুটবল ইতিহাসে এবারই প্রথম।
দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে ফ্রান্স। শুরুতেই কিলিয়ান এমবাপ্পে গোল করে ব্যবধান কমান। এরপর ব্র্যাডলি বারকোলা গোল করে স্কোরলাইন ৪-২ করেন এবং ম্যাচে ফেরার আশা জাগান।
পরবর্তীতে এমবাপ্পে ও ওসমান দেম্বেলে আরও একটি করে গোল করলেও ইংল্যান্ডের হয়ে বুকায়ো সাকা ও জুড বেলিংহাম দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে দলের জয় নিশ্চিত করেন। শেষ পর্যন্ত ৬-৪ গোলের রোমাঞ্চকর জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে থ্রি লায়ন্সরা।
এই হারের ফলে শুধু তৃতীয় স্থান হাতছাড়া হয়নি, বরং বিশ্বকাপের ইতিহাসে একাধিক নেতিবাচক রেকর্ডও নিজের নামের পাশে যোগ করল ফ্রান্স। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিরক্ষার দুর্বলতা ও ম্যাচের শুরুতেই ছন্দ হারানোই এমন ভরাডুবির প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।