বিশ্বকাপের শুরুতে পাকিস্তানের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হবে বলে আশা করা হচ্ছিল। তবে, নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে এক শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে রোমাঞ্চকর জয়ের পর সালমান আলীর দল স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে। এক পর্যায়ে, পাকিস্তানের জন্য ম্যাচটি অসম্ভব বলে মনে হয়েছিল, কিন্তু ফাহিম আশরাফের বিস্ফোরক পারফরম্যান্স তিন উইকেটে জয় নিশ্চিত করে।
ম্যাচের শেষ নাগাদ পাকিস্তান মাত্র নয়টি বল হারাবে বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু ১৯তম ইনিংসে ফাহিম আশরাফ সবকিছু বদলে দেন। লোগান ভ্যান বিকের এই ইনিংসে পাকিস্তানের মোট ২৪ রান আসে। তবে, ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ফাহিমকে আউট করা যেত। তিনি একটি সহজ শট করেন, কিন্তু ডাচম্যান ম্যাক্স ও’ডাউড বলটি মিস করেন। এরপর ফাহিম সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং পরের বলে দুটি ছক্কা এবং একটি চার মারেন।
শেষ ইনিংসে জয়ের কাছাকাছি থাকাকালীন, ফাহিম আশরাফ অসাধারণ প্লেমেকিং ক্ষমতা প্রদর্শন করেন। তিনি একটি দুর্দান্ত কভার শট দিয়ে নির্ণায়ক রান করেন। এই জয় নেদারল্যান্ডসের জন্য বিশাল হতাশার হলেও, এটি পাকিস্তানকে টুর্নামেন্টে এগিয়ে থাকার সুযোগ দিয়েছে।
আগের দিন, অস্ট্রেলিয়া, যারা তাদের ম্যাচ হেরে প্রথম ইনিংস খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তারা তাদের সমস্ত উইকেট হারিয়ে ১৪৭ রান করেছিল। অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস তার দলের হয়ে ৩৭ রান করেছিলেন। পাকিস্তানের হয়ে সালমান মির্জা তিনটি করে উইকেট নেন, অন্যদিকে মোহাম্মদ নওয়াজ, আবরার এবং সিয়াম আইয়ুব প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন।
বিপরীতে, পাকিস্তান ভালো শুরু করেছিল, কিন্তু তাদের মধ্যম রেঞ্জ সম্পূর্ণরূপে ভেঙে পড়েছিল। তাদের প্রথম দুই উদ্বোধনী খেলোয়াড়, সাহেবজাদা ফারহান (৪৭) এবং সিয়াম আইয়ুব (২৪) ছাড়া, কেউই উদ্বোধনী ইনিংসে উচ্চ রান করতে পারেননি। ফলস্বরূপ, ফাহিম আশরাফ শেষ ১১ ইনিংসে তিনটি ছক্কা এবং দুটি চার মারেন।
এই জয়ের জন্য ধন্যবাদ, পাকিস্তান টুর্নামেন্টের শুরুতে বড় বিপর্যয় এড়াতে পেরেছে। তবে, নেদারল্যান্ডসের প্রতিক্রিয়া অবশ্যই অন্যান্য দলের জন্য একটি সতর্কতা।
এখনো কোনো মতামত নেই।