নতুন সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন আ ন ম এহছানুল হক মিলন। দায়িত্ব গ্রহণের পরই শিক্ষা খাতে বড় ধরনের সংস্কারের ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে শপথ নেওয়ার পর রাতে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন নবনিযুক্ত শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে এবং এতে কাঠামোগত পরিবর্তন আনা হবে।
তার ভাষায়, বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে শিক্ষা আর কেবল স্থানীয় বিষয় নয়; এটি বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার অংশ। তাই শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করতে হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রেক্ষাপটে ন্যানোটেকনোলজি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), বায়োটেকনোলজি ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়া হবে। একই সঙ্গে শিল্পখাত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জন করতে পারে।
কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা (টিভেট) খাতকে আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে এই খাতকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
২০০১ সালে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে মিলন বলেন, দায়িত্ব যেহেতু পেয়েছেন, তাই দৃশ্যমান পরিবর্তন আনার লক্ষ্যেই কাজ করবেন। “একটু অপেক্ষা করুন, খুব শিগগিরই পরিবর্তন দেখতে পাবেন। ইনশাল্লাহ অনেক চমক রয়েছে,”— যোগ করেন তিনি।
শিক্ষা খাতে সম্ভাব্য সংস্কার ও নতুন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে শিগগিরই বিস্তারিত রূপরেখা দেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এখনো কোনো মতামত নেই।