SHELL-OK-8.1.34 ইস্টার্ন কেবলসে ৮৯১ কোটি টাকার সম্পদের হদিস নেই, বড় অনিয়মের চাঞ্চল্যকর চিত্র

Porbo24 | Bangladesh News Portal Breaking News, National & International Updates

ঢাকা
...
আপডেট: যাচাই হচ্ছে...
ads
যুদ্ধ পরিস্থিতি লাইভ
LIVE আপডেট
মাঝসমুদ্রে আতঙ্ক: প্রমোদতরি থেকে যাত্রীদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছেকেন্দুয়ায় ডোবা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধারমেয়ের জীবন বাঁচাতে সরকারের সহায়তা চাইলেন কায়সার হামিদভুয়া প্রশ্ন বিক্রির ফাঁদে টেলিগ্রাম চক্রধামরাইয়ে মাদক কারবারিকে কুপিয়ে হত্যাপ্রকাশ্যে স্ত্রীর গলা কাটতে গিয়ে গণধোলাই খেলো স্বামীযুক্তরাষ্ট্রে নিহত বৃষ্টির মরদেহ দেশে ফিরলগাজীপুরে ৫ হত্যা: মানবিক উদ্যোগে পাশে দাঁড়াল জেলা প্রশাসনরাজধানীতে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা আবহাওয়া অফিসের সতর্কবার্তামাঝসমুদ্রে আতঙ্ক: প্রমোদতরি থেকে যাত্রীদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছেকেন্দুয়ায় ডোবা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধারমেয়ের জীবন বাঁচাতে সরকারের সহায়তা চাইলেন কায়সার হামিদভুয়া প্রশ্ন বিক্রির ফাঁদে টেলিগ্রাম চক্রধামরাইয়ে মাদক কারবারিকে কুপিয়ে হত্যাপ্রকাশ্যে স্ত্রীর গলা কাটতে গিয়ে গণধোলাই খেলো স্বামীযুক্তরাষ্ট্রে নিহত বৃষ্টির মরদেহ দেশে ফিরলগাজীপুরে ৫ হত্যা: মানবিক উদ্যোগে পাশে দাঁড়াল জেলা প্রশাসনরাজধানীতে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা আবহাওয়া অফিসের সতর্কবার্তা

বিস্তারিত

নিউজ ডেস্ক

ঢাকা

প্রকাশিত : 12 May, 2026,
3:10 pm

লিংক কপি করা হয়েছে!

ইস্টার্ন কেবলসে ৮৯১ কোটি টাকার সম্পদের হদিস নেই, বড় অনিয়মের চাঞ্চল্যকর চিত্র

ইস্টার্ন কেবলসে ৮৯১ কোটি টাকার সম্পদের হদিস নেই, বড় অনিয়মের চাঞ্চল্যকর চিত্র

সংগৃহীত ছবি

রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন কেবলস লিমিটেডে (ইসিএল) প্রায় ৮৯১ কোটি টাকার স্থায়ী সম্পদের হিসাব নিয়ে বড় ধরনের অনিয়ম ও অসংগতি ধরা পড়েছে। একই সঙ্গে ১৫ কোটি টাকার বেশি বাণিজ্যিক পাওনা আদায় নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। ১০ জানুয়ারি প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্পদ ব্যবস্থাপনা, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি এবং হিসাবমান অনুসরণে গুরুতর দুর্বলতা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটিতে।

নিরীক্ষা প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে এমএবিএস অ্যান্ড জে পার্টনার্স। এতে দেখা যায়, ইসিএল এই অর্থবছরে ১১ কোটি ৬৮ লাখ টাকার বেশি লোকসানে রয়েছে। ফলে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোনো লভ্যাংশও সুপারিশ করা হয়নি।

সম্পদের হিসাব নিয়ে প্রশ্ন

প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোম্পানির আর্থিক বিবরণীতে কারখানা, স্থাপনা ও যন্ত্রপাতিসহ মোট ৮৯০ কোটি টাকার বেশি স্থায়ী সম্পদ দেখানো হয়েছে। তবে নিরীক্ষকরা এসব সম্পদের অস্তিত্ব বা সঠিকতা যাচাই করতে পারেননি। অনেক সম্পদের কোনো শনাক্তকরণ ট্যাগ নেই, রেজিস্টারও অসম্পূর্ণ।

এছাড়া আন্তর্জাতিক হিসাবমান অনুযায়ী সম্পদের মূল্যায়নও করা হয়নি। ফলে এসব সম্পদ বাস্তবে কতটা বিদ্যমান, তা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছে।

পাওনা আদায়ে বড় অনিশ্চয়তা

ইসিএলের বাণিজ্যিক পাওনা দেখানো হয়েছে ১৫ কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে বড় একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে অপরিবর্তিত রয়েছে।

নিরীক্ষকদের পাঠানো চিঠির বেশিরভাগই ফেরত এসেছে, অনেক ক্ষেত্রে ঠিকানাও ভুল পাওয়া গেছে। কিছু পাওনা বন্ধ হয়ে যাওয়া বা বেসরকারিকৃত প্রকল্পের কাছেও দেখানো হয়েছে, যার আদায় নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

শ্রমিক তহবিলেও গরমিল

গ্র্যাচুইটি তহবিলে প্রায় ৬ কোটি টাকার কম দায় দেখানো হয়েছে বলে নিরীক্ষায় উঠে এসেছে। প্রভিডেন্ট ফান্ডের হিসাবেও বড় ধরনের অসঙ্গতি পাওয়া গেছে।

নিরীক্ষকরা বলছেন, এসব অনিয়মের কারণে কোম্পানির প্রকৃত আর্থিক চিত্র আড়াল হয়ে গেছে।

আরও অনিয়মের চিত্র

প্রতিবেদনে বলা হয়, অবণ্টিত লভ্যাংশ যথাযথ ফান্ডে স্থানান্তর করা হয়নি। গুদামের মজুত পণ্য নিয়েও অসঙ্গতি পাওয়া গেছে, যেখানে অনেক পণ্য বাস্তবে পাওয়া যায়নি।

এছাড়া আন্তর্জাতিক হিসাবমান অনুসরণ না করায় কোম্পানির আর্থিক স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

পাঠকদের মতামত 0 টি মন্তব্য

এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।

আপনার মূল্যবান মতামত লিখুন

সর্বশেষ খবর

লোড হচ্ছে...
PORBO24

অপেক্ষা করুন...