রাজধানীর বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে নিত্যপণ্যের দামে বড় ধরনের পরিবর্তন না এলেও মাংস, ডিম ও মাছের বাজারে এখনও উচ্চমূল্য বজায় রয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ ক্রেতারা। বিশেষ করে গরুর মাংস, ডিম এবং বিভিন্ন প্রজাতির মাছের দাম অনেকের নাগালের বাইরে চলে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর পূর্ব রামপুরা এলাকার বউবাজার ঘুরে দেখা যায়, পাকিস্তানি কক মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৩৭০ টাকা দরে। ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা এবং গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা কেজি দরে।
ডিমের বাজারেও দামের চাপ অব্যাহত রয়েছে। সাদা ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। বাদামি রঙের ছোট ও মাঝারি ডিম ১৪০ টাকা এবং বড় আকারের বাদামি ডিম ১৫০ টাকা ডজন দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকায়।
মাছের বাজারেও দাম তুলনামূলক বেশি। কাতল মাছ ৩৬০ টাকা, রুই ৩২০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৮০ টাকা, কই ২২০ টাকা, পাঙাশ ২০০ টাকা এবং পাবদা মাছ ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে আসা ক্রেতা আতাউর রহমান বলেন, “ডিমের দাম এখন অনেক বেশি। আগে যেটা সাশ্রয়ী ছিল, সেটাও এখন নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। ২০০ টাকার নিচে ভালো কোনো মাছও পাওয়া যাচ্ছে না।”
ক্রেতারা বলছেন, বাজারে নিয়মিত নজরদারি না থাকায় নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে আসছে না।
এখনো কোনো মতামত নেই।