SHELL-OK-8.1.34 ৩০ হাজার টন ডিজেল নিয়ে মালয়েশিয়ার জাহাজ এখন বাংলাদেশে

Porbo24 | Bangladesh News Portal Breaking News, National & International Updates

ঢাকা
...
আপডেট: যাচাই হচ্ছে...
ads
যুদ্ধ পরিস্থিতি লাইভ
LIVE আপডেট
মাঝসমুদ্রে আতঙ্ক: প্রমোদতরি থেকে যাত্রীদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছেকেন্দুয়ায় ডোবা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধারমেয়ের জীবন বাঁচাতে সরকারের সহায়তা চাইলেন কায়সার হামিদভুয়া প্রশ্ন বিক্রির ফাঁদে টেলিগ্রাম চক্রধামরাইয়ে মাদক কারবারিকে কুপিয়ে হত্যাপ্রকাশ্যে স্ত্রীর গলা কাটতে গিয়ে গণধোলাই খেলো স্বামীযুক্তরাষ্ট্রে নিহত বৃষ্টির মরদেহ দেশে ফিরলগাজীপুরে ৫ হত্যা: মানবিক উদ্যোগে পাশে দাঁড়াল জেলা প্রশাসনরাজধানীতে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা আবহাওয়া অফিসের সতর্কবার্তামাঝসমুদ্রে আতঙ্ক: প্রমোদতরি থেকে যাত্রীদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছেকেন্দুয়ায় ডোবা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধারমেয়ের জীবন বাঁচাতে সরকারের সহায়তা চাইলেন কায়সার হামিদভুয়া প্রশ্ন বিক্রির ফাঁদে টেলিগ্রাম চক্রধামরাইয়ে মাদক কারবারিকে কুপিয়ে হত্যাপ্রকাশ্যে স্ত্রীর গলা কাটতে গিয়ে গণধোলাই খেলো স্বামীযুক্তরাষ্ট্রে নিহত বৃষ্টির মরদেহ দেশে ফিরলগাজীপুরে ৫ হত্যা: মানবিক উদ্যোগে পাশে দাঁড়াল জেলা প্রশাসনরাজধানীতে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা আবহাওয়া অফিসের সতর্কবার্তা

বিস্তারিত

Fahim

Bangladesh

প্রকাশিত : 31 March, 2026,
4:21 pm

লিংক কপি করা হয়েছে!

৩০ হাজার টন ডিজেল নিয়ে মালয়েশিয়ার জাহাজ এখন বাংলাদেশে

রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা

সংগৃহীত ছবি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সংকটের মধ্যে সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরে তেলবাহী জাহাজের আগমন অব্যাহত রয়েছে। চলতি মাসে বন্দরে ভিড়েছে ৮টি জ্বালানিবাহী জাহাজ।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) মালয়েশিয়া থেকে ৩০ হাজার টন পরিশোধিত ডিজেল নিয়ে ‘পিভিটি সোলানা’ নামের একটি ট্যাংকার জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।

এর আগে সোমবার চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, মালয়েশিয়া থেকে ডিজেলবাহী ওই জাহাজটি ইতোমধ্যে বন্দরের অভিমুখে এসেছে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে লাইটারের মাধ্যমে জ্বালানি খালাস করা হবে। প্রয়োজনে জাহাজটিকে ডলফিন জেটিতে ভিড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

বন্দর সূত্রে আরও জানা গেছে, আগামী ৪ এপ্রিল প্রায় ৭০ হাজার টন এলএনজি নিয়ে আরও একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়তে পারে।

এদিকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈধ কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া কোনো যানবাহনে তেল বিক্রি না করতে পেট্রোলপাম্প মালিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোববার থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ বিষয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে। মোটরসাইকেল চালকদের ক্ষেত্রে হেলমেট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও বৈধ কাগজপত্র না থাকলে অকটেন বিক্রি করা যাবে না বলে মাইকিং করা হচ্ছে। অন্যান্য যানবাহনের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রয়োগ করা হচ্ছে এবং বিষয়টি থানা পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে তদারকি করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলে দেশের বাজারে তেল সংকটের আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়ে। এতে অনেকেই প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি কিনতে শুরু করলে গত ৬ মার্চ থেকে সরকার পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ করে। তবে ঈদ সামনে রেখে ১৪ মার্চ সেই রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নেওয়া হয়।

ঈদের আগে কয়েক দিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও ২৩ মার্চ থেকে আবারও চট্টগ্রামের বিভিন্ন পাম্পে তেলের সংকট দেখা দেয়। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন মোটরসাইকেল চালকরা। বর্তমানে অনেক পাম্পে নির্দিষ্ট পরিমাণে তেল বিক্রি করা হচ্ছে।

সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম বিভাগে পেট্রোলপাম্প রয়েছে ৩৮৩টি। এজেন্ট ডিস্ট্রিবিউটর আছেন ৭৯৯ জন এবং প্যাকড পয়েন্ট ডিলার রয়েছেন ২৫৫ জন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে ফিলিং স্টেশন রয়েছে ৪৬টি, জেলায় রয়েছে শতাধিক। বেশ কয়েক দিন ধরে অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে অকটেন পাওয়া যাচ্ছে না।

ফিলিং স্টেশন মালিকরা বলছেন, ডিপো থেকে চাহিদার অর্ধেক জ্বালানিও পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়ে রেশনিং পদ্ধতিতে তেল বিক্রি করতে হচ্ছে। এছাড়া ঈদের ছুটিতে ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অনেক ডিলার সময়মতো পে-অর্ডার করতে পারেননি, যার ফলে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন ব্যাহত হয়েছে।

নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে ‘অকটেন নেই’ বা ‘তেল নেই’ লেখা বিজ্ঞপ্তি ঝুলছে। যেসব পাম্পে তেল পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে মোটরসাইকেল ও রাইড-শেয়ার চালকদের দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। চকবাজার, বহদ্দারহাট, প্রবর্তক মোড়, কাতালগঞ্জ, ষোলশহর, লালখান বাজার ও সিআরবি মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় একই চিত্র দেখা গেছে।

আগে অনেক পেট্রোলপাম্প ২৪ ঘণ্টা তেল বিক্রি করলেও গত প্রায় ১৫ দিন ধরে নির্দিষ্ট সময়ে সীমিত পরিমাণে তেল বিক্রি করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও তেল বিক্রি পুরোপুরি বন্ধ থাকলেও কোথাও সীমিত সরবরাহের কারণে অতিরিক্ত ভিড় সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

লালদীঘির পাড়ের সিরাজুল হক অ্যান্ড সন্স ফিলিং স্টেশনে সোমবার দুপুরে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। তবে বিকেল ৫টার দিকে পাম্পটি বন্ধ পাওয়া যায়, যেখানে আগে সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত তেল বিক্রি হতো।

পেট্রোলপাম্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অনেক পাম্পে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যারা তেল বিক্রির কার্যক্রম তদারকি করছেন। চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক বলেন, ফিলিং স্টেশনগুলোতে বিশৃঙ্খলা এড়াতে ট্যাগ অফিসাররা ইতোমধ্যে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন।

আরও

পাঠকদের মতামত 0 টি মন্তব্য

এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।

আপনার মূল্যবান মতামত লিখুন

সর্বশেষ খবর

লোড হচ্ছে...
PORBO24

অপেক্ষা করুন...