ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানী তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় শুরু হয়েছে। জাতীয় সংগীত, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও ধর্মীয় শোকগাথার মধ্য দিয়ে শুরু হয় সপ্তাহব্যাপী এই রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান।
ইরান সরকার জানায়, খামেনির প্রতি জনগণের শ্রদ্ধা এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশের উদ্দেশ্যে এ আয়োজন করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশটির বিভিন্ন শহরেও শোকযাত্রা ও ধর্মীয় কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো খামেনির কফিনের ওপর রাখা হয়েছে তার পরিচিত কালো পাগড়ি। একই মঞ্চে তার পরিবারের নিহত আরও চার সদস্যের কফিনও রাখা হয়। মঞ্চটি সৌদি আরবের মক্কায় অবস্থিত কাবা শরিফের আদলে নির্মাণ করা হয়েছে।
সকাল থেকেই হাজারো মানুষ ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় জড়ো হয়ে খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান। অনেকের হাতে ছিল ইরানের জাতীয় পতাকা এবং প্রয়াত নেতার ছবি।
এ সময় সমবেত জনতার কণ্ঠে ‘আমেরিকার ধ্বংস হোক’ এবং ‘প্রতিশোধ, প্রতিশোধ’ স্লোগান শোনা যায়। এসব স্লোগান খামেনির মৃত্যুর জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের দাবির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পরে মোসাল্লার ধর্মীয় কমপ্লেক্সে খামেনির কফিন রাখা হলে দেশটির ধর্মীয় নেতা, সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানান।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।