Porbo24 | Bangladesh News Portal Breaking News, National & International Updates

ঢাকা
...
আপডেট: যাচাই হচ্ছে...
ads
যুদ্ধ পরিস্থিতি লাইভ
LIVE আপডেট
কুমিল্লায় আলোচনায় ৯ মণ ওজনের ‘কালাবাহাদুর’খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধনে ময়মনসিংহে প্রধানমন্ত্রীসন্ধ্যার মধ্যে দুই জেলায় ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতায় উদ্বেগ, কড়া বার্তা ইউনিসেফেরকোরবানির গরু কাটতে বিমানে ঢাকায় আসছেন সৈয়দপুরের কসাইরাকুমিল্লায় আলোচনায় ৯ মণ ওজনের ‘কালাবাহাদুর’খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধনে ময়মনসিংহে প্রধানমন্ত্রীসন্ধ্যার মধ্যে দুই জেলায় ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতায় উদ্বেগ, কড়া বার্তা ইউনিসেফেরকোরবানির গরু কাটতে বিমানে ঢাকায় আসছেন সৈয়দপুরের কসাইরা

বিস্তারিত

MD Ekram

Dhaka, Bangladesh

প্রকাশিত : 10 June, 2026,
11:59 am

লিংক কপি করা হয়েছে!

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট, বাস্তবায়ন নিয়ে বাড়ছে সংশয়

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট, বাস্তবায়ন নিয়ে বাড়ছে সংশয়

সংগৃহীত ছবি

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেট হিসেবে এটি দেশের ইতিহাসের অন্যতম বড় বাজেট। তবে বাজেট ঘোষণার পর থেকেই এর বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে অর্থনৈতিক মহলে।

সরকারের দাবি, নতুন বাজেটের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার ভিত্তি তৈরি হবে। তবে অর্থনীতিবিদদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় এসব লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে না।

প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে সংগ্রহের লক্ষ্য ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু অতীতের অভিজ্ঞতা বলছে, ধারাবাহিকভাবে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে সরকার। ফলে নতুন লক্ষ্য অর্জন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকা। এই ঘাটতি পূরণে দেশি ও বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভর করার পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, অতিরিক্ত ঋণনির্ভরতা বেসরকারি খাতের বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিকে আগামী অর্থবছরে সুদ পরিশোধ বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ১৪ শতাংশ। কয়েক বছরের ব্যবধানে সুদ পরিশোধের ব্যয় প্রায় দ্বিগুণ হওয়ায় বিষয়টিকে উদ্বেগজনক হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

সরকার আগামী অর্থবছরে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। তবে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর পূর্বাভাস অনুযায়ী প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের নিচে থাকতে পারে। একইভাবে বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যও চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণও নতুন বাজেটের বড় চ্যালেঞ্জ। সরকার এটি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করলেও সাম্প্রতিক সময়ে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের বেশি রয়েছে। জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রভাবও বাজারে অনুভূত হচ্ছে।

তবে বাজেটে কিছু ইতিবাচক দিকও রয়েছে। সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, তথ্যপ্রযুক্তি, স্টার্টআপ, ফ্রিল্যান্সিং এবং সৃজনশীল অর্থনীতির উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজেটের আকার বড় হওয়াই সাফল্যের মানদণ্ড নয়। প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে রাজস্ব সংগ্রহ, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের সক্ষমতার ওপর। তাই নতুন বাজেটের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হবে এর কার্যকর বাস্তবায়ন।

পাঠকদের মতামত 0 টি মন্তব্য

এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।

আপনার মূল্যবান মতামত লিখুন

সর্বশেষ খবর

লোড হচ্ছে...
PORBO24

অপেক্ষা করুন...