শুক্রবার গভীর রাতে নওগাঁর সাপাহার উপজেলার হাঁপানীয়া সীমান্তের শূন্যরেখা এলাকা থেকে ওই ১৭ জনকে সরিয়ে নেওয়া হয়। শনিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নওগাঁ-১৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ২৩৮/এমপি সীমান্ত পিলার সংলগ্ন এলাকা দিয়ে ১৭ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চালায় ভারতের ৮৮ বিএসএফ পান্নাছড়া ক্যাম্পের সদস্যরা। তাদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, ছয়জন নারী ও পাঁচজন শিশু ছিল।
ঘটনার খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা দ্রুত সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেন এবং টহল জোরদার করেন। এতে বিএসএফের উদ্যোগ তাৎক্ষণিকভাবে থেমে যায়। পরে পুরো দিন ও রাতজুড়ে শূন্যরেখায় অবস্থান করেন ওই ব্যক্তিরা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সীমান্তে অবস্থানরত ব্যক্তিরা ভারতের দিকে ফিরে যেতে অনীহা প্রকাশ করেন এবং কান্নাকাটি করেন। এ সময় ঘটনাস্থলে জড়ো হওয়া স্থানীয়দের কাছেও তারা মানবিক সহায়তা চেয়েছিলেন।
কলমুডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম জানান, দিনভর বিজিবি সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি বজায় রাখে। পরে রাতের দিকে বিএসএফ সদস্যরা তাদের ভারতের ভেতরে নিয়ে যায়।
বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বলেন, সীমান্তে অতিরিক্ত টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছিল। রাত একটার দিকে সীমান্তের ফ্লাডলাইট বন্ধ করা হয়। এরপর বিএসএফ সদস্যরা শূন্যরেখায় থাকা লোকজনকে ভারতের দিকে সরিয়ে নেয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, সীমান্তে অনুপ্রবেশ ও পুশ ইন ঠেকাতে বিজিবির সতর্ক অবস্থান অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল পরিচালনা করা হচ্ছে।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।