Lalmohan-এ নারিকেল পাড়া নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মো. মাসুদ হাওলাদার (৫০) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৯ জন। ঘটনার পর হত্যা মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৬ মে) দুপুরে Char Chakina এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত মাসুদ হাওলাদার স্থানীয় আলী আজগরের ছেলে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আক্তার, রেশমা, তানভীর ও ফিরোজ। তারা সবাই নিহতের প্রতিবেশী বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও মামলার সূত্রে জানা যায়, জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাসুদ হাওলাদার ও প্রধান অভিযুক্ত আক্তারের মধ্যে বিরোধ চলছিল। বুধবার দুপুরে আক্তার ও তার লোকজন মাসুদের জমির গাছ থেকে জোর করে নারিকেল পাড়তে গেলে বাধা দেন মাসুদের মেয়ে মাসুমা। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে মাসুদসহ তার পরিবারের ছয়জন এবং অপর পক্ষের তিনজন আহত হন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে আহতদের Lalmohan উপজেলা Health Complex-এ ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত মাসুদ হাওলাদারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে নেওয়ার পথে রাতে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সকালে নিহতের মেয়ে মাসুমা বাদী হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে Lalmohan Police Station-এ হত্যা মামলা দায়ের করেন।
লালমোহন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাসুদ হাওলাদার জানান, জমি ও নারিকেল পাড়াকে কেন্দ্র করেই এই সংঘর্ষ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মামলার প্রধান আসামিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।
তিনি আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য Bhola Sadar Hospital-এ পাঠানো হয়েছে।
এখনো কোনো মতামত নেই।