ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা ও ভ্রমণ সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির সরকার বলছে, তেহরানের মানবাধিকার লঙ্ঘন, আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তার অভিযোগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং এক বিবৃতিতে জানান, নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় সাতজন ইরানি ব্যক্তি ও চারটি প্রতিষ্ঠানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নারী ও শিশুদের ওপর সহিংসতা, বিক্ষোভ দমন এবং আঞ্চলিক অস্থিরতা তৈরির অভিযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, ইরানের শাসকগোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের নাগরিকদের ওপর কঠোর দমন-পীড়ন চালিয়ে আসছে। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের আটক, নির্যাতন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাও উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার দাবি, নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা কিছু প্রতিষ্ঠান তথাকথিত ‘ছায়া ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক’-এর সঙ্গে জড়িত। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে হামাসসহ বিভিন্ন গোষ্ঠীর কাছে অর্থ পৌঁছে দেওয়া এবং ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে সহায়তা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এর আগে একই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যও ইরানের কয়েকজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে। ওয়াশিংটনের ভাষ্য, এসব পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো ইরানের অস্ত্র কর্মসূচি, আঞ্চলিক মিত্রগোষ্ঠী এবং পারমাণবিক কার্যক্রমে অর্থায়ন সীমিত করা।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং ইরানকে ঘিরে পশ্চিমা দেশগুলোর বাড়তি উদ্বেগের মধ্যেই নতুন এই নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক চাপ আরও বাড়াবে।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।