বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের দেশের উন্নয়ন ও নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করলে আনসার ও ভিডিপির হাত ধরেই দেশের প্রতিটি গ্রাম আর্থসামাজিক উন্নয়নের কেন্দ্রে পরিণত হবে।
বুধবার (২০ মে) অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৬তম জাতীয় সমাবেশ উপলক্ষে মঙ্গলবার দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বৈষম্যমুক্ত, নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে আনসার ও ভিডিপির প্রায় ৬০ লাখ সদস্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। দেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় এই বাহিনীর সদস্যদের সাহস, সততা ও নিষ্ঠা ভবিষ্যতেও অবদান রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বাহিনীর ৬৭০ জন শহীদ সদস্যকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি বাহিনীর সব সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
তারেক রহমান বলেন, জাতীয় নির্বাচনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আনসার ও ভিডিপির সদস্যরা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছেন। দেশের আইনশৃঙ্খলা, দুর্যোগ মোকাবিলা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং গ্রামীণ উন্নয়ন কার্যক্রমেও তাদের অংশগ্রহণ প্রশংসনীয়।
তিনি আরও বলেন, সরকার একটি স্বনির্ভর ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে। সেই যাত্রায় আনসার ও ভিডিপি একটি কার্যকর সহযোগী শক্তি হিসেবে কাজ করছে।
গ্রামীণ পর্যায়ে নিরাপত্তা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষি অর্থনীতি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমেও বাহিনীটির বিস্তৃত নেটওয়ার্ক আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে আনসার ও ভিডিপির প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। তার ভাষ্য, কর্মমুখী প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের তরুণদের উৎপাদনশীল শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব।
বাণীর শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সার্বিক উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন এবং দেশ গঠনে তাদের অব্যাহত ভূমিকার প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।