বিদেশে টাকা পাচারকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন Syed Abu Naser Bakhtiar Ahmed। তিনি বলেন, যারা দেশের বাইরে বিপুল পরিমাণ অর্থ সরিয়ে নিয়েছেন, তাদের আইনের আওতায় আনতেই হবে।
বুধবার কালের কণ্ঠের ‘বিজনেস রিভিউ’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন Agrani Bank-এর চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ফারুক মেহেদী।
তিনি বলেন, ২০১৮ সালের পর থেকে দেশের ব্যাংকিং খাতে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়। অনেক নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং তালিকাভুক্ত ব্যাংক গ্রাহকদের আমানত ফেরত দিতে ব্যর্থ হয়েছে, যার ফলে পুরো খাতে আস্থাহীনতা তৈরি হয়।
porbo24
আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ জানান, ইতোমধ্যে ৮ থেকে ১০ জনের সম্পদের তথ্য শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের মাধ্যমে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে একটি গ্রুপ একাই অর্ধেক অর্থ পাচার করেছে বলেও দাবি করেন তিনি। বর্তমানে সেই অর্থ পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান এই ব্যাংক কর্মকর্তা।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছরের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা দেড় বছরে পুরোপুরি ঠিক করা সম্ভব নয়। তবে বর্তমান উদ্যোগগুলো ব্যাংকিং খাতকে পুনরুদ্ধারের পথে এগিয়ে নিচ্ছে এবং অর্থনীতি ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ এখন সাড়ে পাঁচ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজনৈতিক চাপ ও দুর্বল করপোরেট গভর্ন্যান্সের কারণে বেপরোয়াভাবে ঋণ বিতরণ করা হয়েছিল। ফলে অনেক ঋণ এখন আদায় অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাতে আস্থা ফেরাতে হলে দায়ীদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনতে হবে। কারণ ব্যাংক পরিচালিত হয় আমানতকারীদের টাকায়, আর সেই অর্থ সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করার দায়িত্ব ব্যাংক কর্তৃপক্ষের।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।