স্বামী জীবিত থাকার পরও বিধবা পরিচয়ে সরকারি ভাতা গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে এক নারী ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে প্রশাসন তদন্তের কথা জানিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য দীর্ঘদিন ধরে বিধবা ভাতার সুবিধা ভোগ করছেন। তবে সম্প্রতি অভিযোগ ওঠে, তার স্বামী জীবিত রয়েছেন এবং স্বাভাবিকভাবেই সংসার করছেন। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে বাংলাবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ আবুল হোসাইন বলেন, নির্বাচনের সময় ওই নারীকে স্বামীহারা বলেই জানা গিয়েছিল। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই তিনি ভাতার সুবিধা পেয়েছেন। বর্তমানে স্বামী জীবিত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিউর রহমান জানান, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সরবরাহ করা তথ্যের ভিত্তিতেই ভাতার তালিকা প্রস্তুত করা হয়। স্বামী জীবিত থাকা অবস্থায় কোনো নারীর বিধবা ভাতা পাওয়ার সুযোগ নেই। অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হবে এবং সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরুপ রতন সিংহ বলেন, সরকারি সুবিধা নিতে মিথ্যা তথ্য প্রদান করা গুরুতর অপরাধ। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয়রা বলছেন, প্রকৃত সুবিধাভোগীদের অধিকার নিশ্চিত করতে এমন অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। প্রশাসনের তদন্তে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে বলেও তারা আশা করছেন।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।