রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। রাজধানীর পল্লবীতে আলোচিত শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ঘোষণা উপলক্ষে রোববার (৭ জুন) বেলা ১১টায় আদালতে রায় পড়া শুরু হয়।
রায় পাঠের সময় বিচারক বলেন, হত্যার আগে শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছিল বলে মামলার সাক্ষ্য ও প্রমাণে প্রতীয়মান হয়েছে। একই সঙ্গে মামলার দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে সমানভাবে অপরাধের সঙ্গে জড়িত বলে আদালত পর্যবেক্ষণ দেন।
এর আগে সকালে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এবং অপর আসামি স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালতে আনা হয়। পরে তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।
গত ৪ জুন রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হলে আদালত আজকের দিন রায়ের জন্য নির্ধারণ করেন। গত ১৯ মে সংঘটিত এই মর্মান্তিক ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় মামলার রায় ঘোষণা হচ্ছে, যা বিচারপ্রক্রিয়ার দ্রুততার একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, পল্লবীর বাসিন্দা দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার গত ১৯ মে নিখোঁজ হওয়ার পর তাকে নির্মম অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে তদন্তে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করে আদালত আজ রায় ঘোষণা করছে।
রায়ের পূর্ণাঙ্গ ঘোষণা ও সাজা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য আদালতের সিদ্ধান্ত প্রকাশের পর জানা যাবে।
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।