আসন্ন Eid al-Adha সামনে রেখে রাজধানী ঢাকায় কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার প্রস্তুতি নিচ্ছেন Saidpur–এর কসাইরা। তাদেরই একজন মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নাদিম কোরাইশি, যিনি এলাকায় ‘ছোটু নাদিম’ নামে পরিচিত।
জানা গেছে, ঈদের আগের দিন ১০ সদস্যের একটি দল নিয়ে বিমানে করে ঢাকায় আসবেন তিনি। ইতোমধ্যে তাদের বিমান টিকিটও কাটা হয়েছে।
ছোটু নাদিম বলেন,
“আমাদের বাপ-দাদারাও কোরবানির ঈদে ঢাকায় কাজ করতে যেতেন। এখনো মানুষ আমাদের ডাকেন। চামড়া ছাড়ানো থেকে শুরু করে মাংস পিস করা, হাড় আলাদা করা—সব কাজেই দক্ষতা লাগে।”
প্রতিবছরের মতো এবারও সৈয়দপুর থেকে শতাধিক কসাই রাজধানীতে যাচ্ছেন কোরবানির পশু জবাইয়ের কাজে। কেউ বাসে, কেউ ট্রেনে, আবার অনেকে বিমানে করে ঢাকায় আসবেন।
জানা যায়, সৈয়দপুরের এসব কসাইদের বড় একটি অংশ বিহারি সম্প্রদায়ের। বংশপরম্পরায় তারা মাংস ব্যবসা ও পশু জবাইয়ের কাজের সঙ্গে জড়িত। দক্ষতার কারণে ঢাকায় তাদের বিশেষ চাহিদা তৈরি হয়েছে।
ছোটু নাদিমের ভাষায়,
“কসাইয়ের কাজটাও এক ধরনের শিল্প। নিখুঁতভাবে পশু জবাই, চামড়া অক্ষত রেখে ছাড়ানো কিংবা সুন্দরভাবে মাংস ভাগ করা—সবকিছুতেই দক্ষতা প্রয়োজন।”
প্রায় ২০ বছর আগে বাবার হাত ধরে এই পেশায় আসেন তিনি। এরপর থেকে প্রতি ঈদেই ঢাকায় এসে কাজ করছেন। এমনকি একসময় সাবেক মেয়র Sadeque Hossain Khoka–র বাসাতেও কোরবানির গরু জবাই করেছিলেন বলে জানান তিনি।
গত বছর চার সহযোগী নিয়ে ঢাকায় ১২টি গরু জবাই করে প্রায় ২ লাখ টাকা আয় করেছিলেন ছোটু নাদিম। এবার দল বড় হওয়ায় আরও বেশি কাজের আশা করছেন তিনি।
অন্যদিকে সৈয়দপুর পৌর মাংসহাটির কসাই ফজলে রাব্বি জানান, ঈদের আগে ঢাকাগামী বিমানে যাত্রী কম থাকায় বিমান ভাড়া তুলনামূলক কমে যায়। সেই সুযোগেই তারা বিমানে যাতায়াত করেন।
স্থানীয় কসাই মো. মিন্টু বলেন,
“সৈয়দপুরে একটি গরু কাটার জন্য সর্বোচ্চ ৮ হাজার টাকা পাওয়া যায়। অথচ ঢাকায় একই কাজের জন্য ২০-২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত পাওয়া যায়।”
এখনো কোনো মতামত নেই। আপনার মতামত দিন।